নীড় পাতা / পাহাড়ের সংবাদ / খাগড়াছড়ি / ‘দায়িত্ববোধ থেকে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে থাকবে’
parbatyachattagram

‘দায়িত্ববোধ থেকে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে থাকবে’

‘সেনাবাহিনী পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে’ উল্লেখ করে মাটিরাঙ্গা ৩০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর আরেফিন মো. শাকিল বলেছেন, দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে সেনাবাহিনী মানুষের পাশে আগেও ছিল আগামী দিনেও থাকবে। এলাকায় শান্তি থাকলে সম্প্রীতি ও উন্নয়ন নিশ্চিত হবে। বৃহস্পতিবার সাড়ে ১২টার দিকে বিদ্যালয় কক্ষে মাটিরাঙ্গা উপজেলা চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম’র সভাপতিত্বে মাটিরাঙ্গা ৩০ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী জোনের উদ্যোগে শান্তকরণ কর্মসুচীর আওতায় মাটিরাঙ্গা মহিলা কলেজে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, মাটিরাঙ্গা মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. কেফায়ে উল্যাহ, বিশেষ অতিথি হিসেবে মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিভীষণ কান্তি দাশ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শিক্ষা উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মেজর আরেফিন মো. শাকিল, কলেজে ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরা যারা এ কলেজে পড়ছো তাদের একটা কথা মনে রাখতে হবে যে, কেবল একজন নারীই নয়, একজন সত্যিকারের মানুষ হওয়ার জন্যই শিক্ষার প্রয়োজন। মহিলা কলেজটি মাটিরাঙ্গা নারী শিক্ষার অভাব পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নারী শিক্ষার নিশান হিসেবে এই কলেজ কাজ করবে ও কলেজ কর্তৃপক্ষ নিঃসন্দেহে ভালো সময় পার করবে। সুন্দর পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সুন্দর মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে মাটিরাঙ্গা উপজেলা আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. এরশাদুল জ্জামান, মাটিরাঙ্গা পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি মো. শামসুদ্দিন মাস্টার ছাড়াও কলেজের শিক্ষার্থী, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক-সাংবাদিক ও স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তিবর্গ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে ১০জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মাঝে পাঠ্যপুস্তক বিতরন করেন মাটিরাঙ্গা ৩০ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারী জোনের জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর আরেফিন মো. শাকিল ও মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বিভীষণ কান্তি দাশ।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে মাতৃভাষায় পাঠদান

২০১৭ সাল থেকে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিশুদের হাতে মাতৃভাষার বই দেয়া হলেও এখনো …

Leave a Reply