ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

জয়ের দৌড়ে সাত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী

রাঙামাটি পৌর নির্বাচন সংরক্ষিত আসন-০৩(৭,৮,৯ নং ওয়ার্ড)

সাইফুল বিন হাসান
আসন্ন পৌর নির্বাচনে রাঙামাটির পৌরসভার ০৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে তিনটি ওয়ার্ড মিলে সংরক্ষিত আসনে মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বহু জাতি গোষ্ঠী এবং সম্প্রদায়ের সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বসবাস করে শহরের ০৭, ০৮ ও ০৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা, যেখান থেকে আসন্ন পৌর নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন করবেন সাত প্রার্র্থী। এই আসনে পাহাড়ি-বাঙালির সমানভাবে বসবাস করায় নির্বাচন মাঠে এটি বড় ফ্যাক্টর হিসেবে প্রতিবারই দাঁড়ায়। তবে এবার বাঙালি একাধিক প্রার্থী এবং অন্যদিকে পাহাড়ি প্রার্থী দুইজন হওয়ায় ভোটের মাঠের লড়াই জমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে মনোনয়ন জমা ও বাচাই পর্ব শেষে সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছে প্রচারণার। মেয়র, সাধারণ কাউন্সিলর’র পাশাপাশি নির্বাচন মাঠ গুছিয়ে নিচ্ছে মহিলা সংরক্ষিত কাউন্সলির পদপ্রার্থীরা। সবাই এখন নির্বাচন মাঠকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছে।

শহরের এই ০৩নং আসনের জন্য মনোনয়ন জমা দিয়ে বাচাই পর্ব শেষ করে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ০৭জন কাউন্সিলর প্রার্থী। যার মধ্যে বর্তমান কাউন্সিলর জুবাইতুন নাহার জেবু, প্রজ্ঞা জ্যোতি চাকমা, মনিকা আক্তার, মুক্তা আক্তার, বাবলি ইয়াসমিন, পূর্ণিমা বড়ুয়া, ও সীমা দেওয়ান।

স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব ও ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত বর্তমান কাউন্সিলর এবং আসন্ন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জুবাইতুন নাহার জেবু। বিগত সময়ের রাঙামাটিতে ঘটে যাওয়া পাহাড় ধস ও মহামারি করোনা ভাইরাসে যিনি মাঠ ময়দানে থেকে মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন বলে এলাকা জুড়ে যার সুনাম রয়েছে ব্যাপক। সেই জুবাইতুন নাহার জেবু আবারও নির্বাচনে অংশ নিয়ে এলাকাবাসীর ভোটের মাধ্যে ভালোবাসা পেয়ে পুরনায় কাজ করার এবং অসম্পূর্ণ কাজ শেষ করা সুযোগ দেওয়ার জন্য আহŸান জানিয়েছেন এলাকাবাসীর প্রতি।

কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জুবাইতুন নাহার জেবু বলেন, ‘আমি গতবছর নির্বাচিত হওয়ার পর পরই রাঙামাটিতে একটি বৃহৎ দুর্ঘটনা ঘটে। সেটি হচ্ছে পাহাড় ধস। পাহাড় ধসে বহু মানুষ মারা যায়। আমার এলাকাতেও মানুষ মারা গিয়েছে। পাহাড় ধস হয়েছিলো রোজার মধ্যে। আমি সে সময় রাত দিন মানুষের সেবার কাজ করে গেছি। প্রথম বেশ কয়েকদিন তো ধসে পড়া পাহাড়ের নিচে মানুষগুলোকে উদ্ধার করা নিয়ে সবাই ব্যস্ত অন্যদিকে যাদের ঘর বাড়ি ভেঙে গেছে তাদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া জন্য সবার চেষ্টা। আমি আশ্রয় কেন্দ্রে থেকে আশ্রয়কারী সকল মানুষের নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় খাবার ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ব্যবস্থা করে দিয়েছি। প্রশাসন ও পৌরসভার পক্ষ থেকে যাবতীয় সকল প্রকার কাজ করেছি। এমনকি সে বার ঈদটাও করতে হয়েছে আশ্রয় কেন্দ্রে। কারণ আমি জনসাধারণের প্রতিনিধি। তাদেরকে আশ্রয় কেন্দ্রে অসহায় অবস্থায় রেখে বাসায় ঈদ করা আমার পক্ষে সম্ভব না। তাই তাদের সাথে সেখানেই ঈদ করেছি আমি।’

তিনি আরও বলেন, ‘পাহাড় ধসের পরেই সারা বিশে^ করোনা ভাইরাসের আক্রমণ। এসময় তিন মাস লকডাউন দেওয়া হয়। এতে আমার এলাকার মানুষ ব্যপক সমস্যার মধ্যে পড়ে যায়। আমার এলাকা অনেক বড় এবং দুর্গম কিছু এলাকাও রয়েছে। সেখানে বসবাস করে পাহাড়ের হাজারো মানুষ। আমি এ লকডাউনে সরকারি ও পৌরসভার যে সকল সহযোগিতা এসেছে তা দুর্গম এলাকায় পর্যন্ত প্রতিটি বাড়িতে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছি। সরকারি ছাড়াও আমি আমার ব্যাক্তিগত ভাবে যখনই শুনেছি কোন অসহায় পরিবারের কথা তখনই তাদের জন্য সহযোগিতা পৌঁছে দিয়েছি। এছাড়া প্রশাসন থেকে আমাকে যে সকল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমার এলাকার জন্য আমি প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে করার চেষ্টা করেছি। করোনায় মৃত্যুর ভয় না পেয়ে আমি আমার এলাকাবাসীর জন্য কাজ করে গিয়েছি। আমার কাজের কথা বিবেচনা করে এলাকাবাসী যদি আমাকে আবারও নির্বাচিত করে তবে আমার যে অসম্পূর্ণ কাজ রয়ে গেছে তা আমি সম্পূর্ণ করবো।’

এই আসনে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে অংশ নেওয়া সাবেক এনজিও কর্মী প্রজ্ঞা জ্যোতি চাকমা বলেন, ‘আমি স্বতন্ত্র ভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি, আমি কোন দল বা ব্যক্তির সমর্থন নেয়নি। আমি দীর্ঘদিন ধরে এনজিওতে কাজ করেছি। তাই তৃণমূল মানুষের নিকট যাওয়ার সুযোগ হয়েছে আমার। এছাড়া আমার এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের কথা আমি প্রায় সময় শুনে থাকি। এলাকার মানুষ আমাকে তাদের দুঃখের কথা এসে বলে থাকেন। কারণ আমি তো এই পার্বত্য অঞ্চলেরই মেয়ে। তারা তো আমাকেই বলবেই। আমি সব সময় চেষ্টা করি তাদের জন্য কিছু করতে, তাদের পাশে থাকতে। তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি আমি আমার এলাকাবাসীর ভোটের ভালোবাসা পেয়ে নির্বাচিত হবো। যদি আমি মানুষের ভোট পেয়ে নির্বাচিত হই তবে আমি আমার এলাকার মানুষের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করবো। এলাকার উন্নয়নে সর্বদা কাজ করে যাবো।’

আরেক কাউন্সিলর প্রার্থী মনিকা আক্তার, যিনি রাঙামাটি আওয়ামীলীগের সাথে সম্পৃক্ত গত দশ বছর ধরে। গোপালগঞ্জ জেলায় জন্ম এই কাউন্সিলর প্রার্থী রাঙামাটিতে বেড়াতে এসে রাঙামাটির রূপ বৈচিত্রের মায়ায় পড়ে আর ছাড়া হয়নি রাঙামাটি জেলা, থেকে গেছেন এ জেলার মায়ায়। দীর্ঘ দিন ধরে যিনি কাজ করে যাচ্ছেন এলাকা জুড়ে। মনিকা আক্তার বলেন, ‘আমার জন্ম গোপালগঞ্জ জেলায় তাই আমার রক্তের সাথে আওয়ামীলীগের একটা টান রয়েছে। আমার বাড়ি এবং আত্মীয়-স্বজন সবাই ঢাকাতে। আমি এখানে এসেছিলার বেড়াতে। কিন্তু রাঙামাটির রূপ-বৈচিত্রের যে একটি মায়া তা আর ছাড়তে পারিনি। পরে এখানেই আমি থেকে গেছি এবং ব্যবসা বাণিজ্য করছি। গোপালগঞ্জের মেয়ে বলে ২০১০ থেকেই আওয়ামীলীগের সাথে রাঙামাটিতে কাজ করছি। আওয়ামীলীগের সাধারণ সদস্য ফরমও পূরণ করেছি আমি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি ঢাকায় চলে যেতে কিন্তু দেখা যায় রাঙামাটির মায়া আমাকে বারবার টানে। এছাড়া আমি যখন আওয়ামীলীগে আছি, সাথে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে কাজ করি তাই সবাই আমাকে ফোন করে বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে। তাদের জন্যও আমার আর থাকা হয় না বাইরে কোথাও। আমি গত পাহাড় ধসে এবং করোনা ভাইরাসে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করে গেছি। প্রশাসনের সাথেও কাজ করেছি এলাকাজুড়ে। করোনা ভাইরাসের সময় তো আমি দুইশটি পরিবারকে নিজের অর্থ দিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। প্রতিবার শীতে আমি নিজ উদ্যোগে অসহায় মানুষকে কম্বল দিয়ে থাকি। এছাড়া যে যখন আমার কাছে সহযোগিতার জন্য এসেছে। আমি কাউকে ফিরিয়ে দেয়নি। সব সময় তাদের পাশে থেকে সকলকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করে গিয়েছি। আমাকে যে যখন বিপদে পড়ে ডেকেছে আমি তখন সাড়া দিয়েছি।’

প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের উত্তরে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মনিকা আক্তার বলেন, ‘আমাকে নিয়ে অনেক গুঞ্জন ছড়ানো হচ্ছে আমি জানি। আসলে একজন ব্যাক্তিকে খারাপ হিসেবে পরিচিত করার সহজ উপায় হচ্ছে তার চরিত্র নিয়ে কথা বলা। আমার পরিবার গোপালগঞ্জের স্বনামধন্য একটি জমিদার পরিবার, এছাড়া আমার স্বামীর পরিবারের দিক থেকেও স্বনামধন্য। তাহলে আমার কেন অসৎ উপায়ে আয় করতে হবে। সত্য বলতে বহু নেতারা আমাকে অসামাজিক কাজের প্রস্তাব দিয়েছে, যা আমি গ্রহণ করিনি। সে জন্যই মূলত আমার নামে এমন অসত্য কথাবার্তা ছড়ানো হচ্ছে। তাদের প্রস্তাব না মানায় আমি কোন পদ পদবিও পাচ্ছি না।’ এ কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বলেন, ‘আমি সব সময় ভালো মন মানসিকতা নিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করতে চাই। তাই আমি আশাবাদী আমার এলাকার মানুষে আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন।’

জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে সমর্থিত প্রার্থী সীমা দেওয়ান বলেন, ‘আমি এই প্রথম নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি। আশা করছি নির্বাচন সঠিকভাবে হলে আমি নির্বাচিত হবো। আমি যদি নির্বাচিত হই তাহলে আমার এলাকার মানুষের জন্য কাজ করে যাবো। তাদের সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা সহ এলাকা উন্নয়নে কাজ করবো।’

তরুণ সমাজ সেবক ও সদর থানা যুব মহিলালীগের সদস্য মুক্তা আক্তার (পিংকি)। তরুণ হওয়ায় যিনি সব সময় মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন এবং মানুষের প্রয়োজনে সব সময় ছুটে যান। তরুণ এই কাউন্সিলর প্রার্থী মুক্তা আক্তার বলেন, ‘আমি এলাকার মেয়ে, আমার শৈশব-কৈশোর সবই কেটেছে এই এলাকায়। তাই আমি জানি আমার এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখ ও চাহিদার কথা। পৌরসভার মত এত বড় এটি সংস্থার মধ্যে থেকেও এলাকার মানুষের প্রয়োজনে বিগত সময়ের কেউ ভালো কিছু করতে পেরেছে বলে আমার মনে হয় না। তাই আমি আমার এলাকার মানুষের কথা চিন্তা করে তাদের সহযোগিতা ও ভরশা নিয়েই নির্বাচন করছি। মূলত আমাকে এলাকার মানুষের নানাবিধ চাহিদা সরকার ও পৌরসভা থেকে নিশ্চিত করতে এলাকার মানুষরাই আমাকে নির্বাচন করতে উৎসাহ প্রদান করছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি নির্বাচিত হই তবে আমার এলাকার সকল মানুষের সরকারি বেসরকারি সকল কিছু সুবিধা নিশ্চিত করবো। বিধবা ভাতা, শিশু ভাতা, বৃদ্ধ ভাতা সহ যে সকল সুযোগ সুবিধা বর্তমান সরকার দিয়ে আসছে তা সঠিক ভাবে সঠিক মানুষগুলোর কাছে পৌঁছানোর জন্য কাজ করে যাবো। তাই আমি আশাবাদী আমার এলাকার মানুষ তাদের এলাকার মেয়ে, তাদের সন্তানকে তাদের পাশে থাকার এবং বিগত সময়ের মত তাদের অধিকার ও সহযোগিতার জন্য কাজ করার সুযোগ দিবে।’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) রাঙামাটি জেলা মহিলা দলের অর্থ সম্পাদক বাবলি ইয়াসমিন সংরক্ষিত এই আসনে নির্বাচন মাঠে লড়াই করছেন। বিএনপির সমর্থন নিয়েই তিনি আসন্ন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন বলে জানা যায়। বাবলি ইয়াসমিন বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে সর্বপ্রথম সুবিধা বঞ্চিত জনগণের পাশে দাঁড়াবো। তাছাড়া পাহাড়ে পাহাড়ি-বাঙালির যে সম্প্রীতি রয়েছে সেটাকে আরও তরান্বিত করার চেষ্টা করবো। এছাড়াও সকল নাগরিকের ন্যায্য অধিকার এবং সরকার প্রদত্ত যে সকল সুবিধা ও ভাতা সমূহ প্রদান করা হয় সেগুলো ন্যায্য প্রাপকের নিকট হস্তান্তর করতে আমি বদ্ধপরিকর থাকবো।’

তিনি আরও বলেন, ‘জনগণ যদি আমার ওপর আস্থা রেখে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে আমি আমার সকল দায়িত্ব ন্যায় নিষ্ঠার সাথে পালন করবো।’ জয়ের ব্যাপারে এই কাউন্সিলর প্রার্থী বলেন, ‘আমি আশা করছি রাঙামাটি পৌরসভা নির্বাচন সুষ্ঠু হবে এবং সর্বোস্তরের জনগণের অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন হবে। যদি সব কিছু সুষ্ঠুভাবে হয় তবে আমি নির্বাচিত হওয়ার ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।’

এদিকে আরেক প্রার্থী পূর্ণিমার বড়ুয়ার সাথে বিভিন্ন মাধ্যমে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

নির্বাচন মাঠ এখন সরগরম বললেই চলে। সবাই এখন নিজ নিজ প্রত্যাশা আর আশার ঝুঁড়ি নিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছেন। আসন্ন নির্বাচনে এই আসন মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান কাউন্সিলর নিজের যোগ্যতা ও বিগত সময়ের কাজের মূল্যায়ন হিসেবে মানুষের ভালোবাসা পেয়ে কি আবারও নির্বাচিত হবেন! নাকি তাকে পরাজিত করে অন্য কোন প্রার্থী নির্বাচিত হবেন নতুন ভাবে, তাদের সামাজিক কাজকে মূল্যায়ন করে, নাকি অন্য দিকে পাহাড়ি-বাঙালির সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ এলাকায় একাদিক বাঙালি প্রার্থী হওয়ায় তাদেরকে পরাজিত করে নির্বাচিত হবে নতুন কোন মুখ পাহাড়ি জনগোষ্ঠির কেউ! যেই হবে তার ভাগ্য নির্ধারণ হবে আগামী ১৪ ফেব্রæয়ারির ভালোবাসা দিবসের দিন। সে দিনই নির্ধারণ হবে ভোটাররা কাকে ভালোবেসে ভালোবাসা দিবসের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ ভোট দিয়ে তাদের জনপ্রতিনিধি নির্ধারণ করে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button