খেলার মাঠব্রেকিংলিড

জোন কাপ ফুটবলের ফাইনালে লংগদু ও খেদারমারা

‘শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়ন’ স্লোগানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দূর্ভেদ্য একুশ বেঙ্গল লংগদু জোন এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ফুটবল টুর্ণামেন্টের ফাইনালে উঠেছে লংগদু ইউপি একাদশ ও খেদারমারা ইউপি একাদশ। আগামী ৬ আগষ্ট মঙ্গলবার বিকালে লংগদু শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত শনি ও রবিবার অনুষ্ঠিত দুটি সেমিফাইনাল ম্যাচে লংগদু ইউপি একাদশ ট্রাইবেকারে ভাসান্যাদম ইউপি একাদশকে পরাজিত করে। এবং অপর সেমিফাইনালে খেদারমারা ইউপি একাদশ ২-০ গোলে মাইনীমূখ একাদশের কাছে পরাজিত হলেও মাইনীমূখ একাদশে বহিরাগত খেলোয়ার থাকায় নিয়মানুযায়ী তাদের টিমকে বাতিল করা হয়। ফলে পরাজিত হয়েও ফাইনালে উঠল খেদারমারা ইউপি একাদশ।

রবিবার বিকেলে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় ম্যাচ চলাকালীন সময়ে খেদারমারা এবং মাইনীমূখ একাদশের খেলোয়ারদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ আসলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ তা যাচাই করে মাইনীমূখের তিনজন খেলোয়ারকে বহিরাগত হিসেবে চিহ্নিত করেন। অপরদিকে খেদারমারা একাদশের খেলোয়ারদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।

আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান, খেলাধুলার মাধ্যমে শান্তি ও সম্প্রীতির উন্নয়ন বেগবান করার লক্ষে সেনাবাহিনী নিয়মিত এ ফুটবল টুর্ণামেন্টের আয়োজন করে থাকে। এবং এ টুর্ণামেন্টের মাধ্যমে ভালো খেলোয়ারদের বাছাই করে লংগদু জোন টিম গঠন করা হবে। যারা খাগড়াছড়ি রিজিওয়ান কাপে অংশ গ্রহন করবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, জোনের অন্তর্ভুক্ত স্থানীয় খেলোয়ারদের নিয়ে এ টুর্ণামেন্টে বহিরাগত (হায়ার) প্লেয়ারদের খেলার কোনো নিয়ম নাই। তবে ভাসান্যাদম ও মাইনীমূখ ইউপি একাদশ এ নিয়মের লংঙ্ঘন করে বহিরাগত খেলোয়ারদের নিয়ে অংশগ্রহণ করে। তাই সেমিফাইনালে বিজয়ী হলেও মাইনীমূখ একাদশ ফাইনালে যেতে পারেনি। অপর দিকে ভাসান্যদম প্রথম সেমিফাইনালে পরাজিত হলেও অসদোপায় অবলম্বন করায় তাদেরকে ভবিষ্যতের জন্য শতর্ক করা হয়েছে।

লংগদু জোনের সেনা কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন আহমেদ জানান, ‘এলাকায় শান্তি ও সম্প্রীতির উন্নয়নে জোন কাপ ফুটবলের এ আয়োজন। ক্রিড়া নৈপুণ্য প্রদর্শনের মাধ্যমে দর্শকের আনন্দ দেয়া খেলোয়ারদের কর্তব্য। খেলার সৌন্দর্য্য অক্ষুন্ন রাখতে কোনো অনিয়মকে প্রশ্রয় দেয়া হবে না।’

এদিকে দ্বিতীয় সেমিফানালে অসোদপায় অবলম্বন করায় মাইনীমূখ একাদশকে টুর্ণমেন্ট থেকে বাতিল করার খবরে আয়োজক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছে খেদারমারা ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ কুমার চাকমা ও খেদারমারা ইউনিয়নবাসী। এবং লংগদুর ক্রিড়াপ্রেমী দর্শকরাও সেনাবাহিনীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। লংগদুর সাবেক কৃতি ফুটবলার এবং জনপ্রিয় রেফারী মন্টু কুমার চৌধুরী বলেন, নান্দনিক ফুটবলের জন্য অনিয়মের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়ায় আয়োজক কর্তৃপক্ষ ও সেনাবাহিনী সাধারণ দশর্কের মনে আস্থার স্বাক্ষর রেখেছে। এমন পদক্ষেপ নেয়ায় ভবিষ্যতে কোনো দলই অনিয়ম করার চেষ্টা করবে না।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button
Close