ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

জেএসএস নেতাকে অপহরণের অভিযোগ এএলপি’র বিরুদ্ধে !

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির রাজস্থলী উপজেলা কমিটি সদস্য ও ২নং গাইন্দা ইউনিয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক এবং গাইন্দা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মংক্যসিং মারমাকে ‘পার্বত্য চুক্তি বিরোধী স্বার্থান্বেষী মহলের’ মদদে আরাকান লিবারেশন পার্টি (এএলপি)-এর ‘সশস্ত্র সন্ত্রাসী’রা অপহরণ করে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি।

সংগঠনটির উপজেলা কমিটির সভাপতি পুলুখই মারমা গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলাধীন গাইন্দা ইউনিয়নের তরুগুমুখ বৌদ্ধ বিহার থেকে অপহৃত করা হয়েছে। রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের কেঙ্গেরাছড়ি গ্রামের মংক্যচিং মারমার নেতৃত্বে এএলপি’র ১০/১২ জন সশস্ত্র সন্ত্রাসী (স্থানীয়ভাবে মগ পার্টি নামে পরিচিত) বৌদ্ধ বিহার থেকে শ্রমণ অবস্থায় অবস্থানকালে মংক্যসিং মারমাকে জোরপূর্বক টেনে হিঁচড়ে বের করে অজ্ঞাত স্থানে ধরে নিয়ে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি আওয়ামীলীগের ছত্রছায়ায় এএলপি কর্তৃক নিরীহ মংক্যসিং মারমাকে অপহরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অক্ষত অবস্থায় মংক্যসিং মারমাকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘ গত দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্ব থেকে স্থানীয় আওয়ামীলীগের পৃষ্ঠপোষকতায় কথিত এএলপি সশস্ত্র সদস্যরা রাঙামাটি জেলাধীন রাজস্থলী উপজেলা ও কাপ্তাই উপজেলায় রাইখালী ইউনিয়নে অবস্থান করে জনসংহতি সমিতির সদস্যসহ সাধারণ গ্রামবাসীদের উপর চাঁদাবাজি, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়, হত্যা, সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনীকে অবহিত করা হলেও কর্তৃপক্ষ থেকে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে স্থানীয় জনজীবন এসব সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে।’

পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির পক্ষে সংগঠনটির নিজস্ব ইমেইল  আইডি ও কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এর  আইডি ব্যবহার করেই বরাবরের মতোই বিবৃতিতে এসেছে গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button