করোনাভাইরাস আপডেটব্রেকিংরাঙামাটিলিডস্বাস্থ্য

জুলাই মাসেই পরীক্ষা শুরু হবে রাঙামাটি পিসিআর ল্যাবে

আজ শুরু ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কাজ

রাঙামাটিবাসির বহুত প্রতীক্ষিত পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে আগেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ল্যাব স্থাপনের অনুমতি প্রাপ্তির পর পরই পিসিআর মেশিন অর্ডার দেয়া হয়েছে এবং রাঙামাটি মেডিকেল কলেজের নীচতলায় আজ রবিবার( ৬ জুলাই) থেকেই শুরু হচ্ছে রাঙামাটির পিসিআর ল্যাবের জন্য নির্ধারিত স্থানে ভৌত অবকাঠামো স্থাপনের  জরুরী কাজ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে রাঙামাটির সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা জানিয়েছেন,আমরা চেষ্টা করছি খুব দ্রæত এবং স্বল্পতম সময়ের মধ্যে পিসিআর ল্যাবে কাজ শুরু করতে। সবাই সর্বাত্মক সহযোগিতা করায় আমরা দ্রæতই কাজ আগাতে পারছি। মেশিন অর্ডার হয়ে গেছে,ভৌত কাজও শুরু হচ্ছে আজ, পরীক্ষার অনুমতি মিলেছে,সেই সাথে হাতে টাকাও আছে। সুতরাং আমি আশাবাদি, এই মাসেই আমরা ল্যাব চালু ও পরীক্ষা শুরু করতে পারব। আজ থেকে শুরু হওয়া ভৌত অবকাঠামোর কাজ দ্রæতই শেষ করা হবে এবং আমরা আশা করছি এর মধ্যেই মেশিনও চলে আসবে।’

সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, মূলত: বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান ও সচিব পবন চৌধুরীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় এত কম সময়ে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই কাজটি হচ্ছে। স্যার সর্বোতোভাবে এই কাজটির জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। শুধু তাই নয়,পুরো বিষয়টি তদারকিও করছেন তিনি।

প্রসঙ্গত,রাঙামাটিতে পিসিআর ল্যাব বসানোর জন্য দেশের অন্যতম শিল্পগ্রæপ বসুন্ধরার কাছ থেকে ৬৯ লক্ষ টাকার অনুদানও সংগ্রহ করেছেন করোনা মোকাবেলায় রাঙামাটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব পবন চৌধুরী।

সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা জানিয়েছেন, আমাদের কাছে পর্যাপ্ত সিলিন্ডারও আছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড আমাদের ১৫ টি সিলিন্ডার দিয়েছে। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আশিকা ১ টি সিলিন্ডার দিয়েছে এবং আমরা নিজেরা ১০ টি কিনেছি। সবমিলিয়ে আমাদের কাছে এখন মোট ৮৭ টি সিলিন্ডার আছে।

সিভিল সার্জন জানিয়েছেন, শুরু থেকেই রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ আমাদের সবভাবেই সহযোগিতা করছে। তারা মাস্ক,গøাভস,পিপিই,স্যানিটাইজারসহ প্রয়োজনীয় সকল সুরক্ষা উপকরণ আমাদের দিয়েছে এবং এখনো দিচ্ছে। শুধু তাই নয়, নমূনা সংগ্রহের জন্য আমরা যে অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহার করছি,সেটাও জেলা পরিষদ দিয়েছে।’

‘সবার সম্মিলিত চেষ্টা ও সহযোগিতার কারণেই এখন পর্যন্ত পুরো পরিস্থিতি সামাল দেয়া যাচ্ছে’ জানিয়ে সিভিল সার্জন আরো বলেন, সচিব স্যার,জেলা পরিষদ,জেলা প্রশাসনসহ সরকারের প্রতিটি বিভাগই আমাকে সহযোগিতা করছে। এমন একটি ঘটনাও নেই যে, আমি সহযোগিতা চেয়েছি কিন্তু পাইনি। সবার সর্বাত্মক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই কাজ করে যাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

সিভিল সার্জন ডা: বিপাশ খীসা বলেন, আমরা আশা করছি আমাদের পিসিআর ল্যাব চালু হলে এখন রিপোর্ট পাওয়ার ক্ষেত্রে যে বিলম্বটি হয়,সেটি হবেনা এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে আমরা তাৎক্ষনিক নির্দেশনা দিতে পারব।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button