রাঙামাটিলিড

জাতীয় হারের চেয়ে রাঙামাটিতে সংক্রমণের হার বেশি: সিভিল সার্জন

পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিবেদন ॥
রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ এর মাসিক সভা রবিবার সকালে পরিষদের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী।

পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাঃ আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে সদস্য হাজী মুছা মাতব্বর, সদস্য প্রর্বতক চাকমা, সদস্য বিপুল ত্রিপুরা, সদস্য বাদল চন্দ্র দে, সদস্য প্রিয়নন্দ চাকমা, সদস্য ঝর্ণা খীসা, সদস্য দিপ্তীময় তালুকদার, সদস্য অংসুইছাইন চৌধুরী, সদস্য আসমা বেগম, সদস্য সবির কুমার চাকমা, সদস্য নিউচিং মারমা, সদস্য আব্দুর রহিম, সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, সিভিল সার্জন ডাঃ বিপাশ খীসা, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী বিরল বড়––য়া, হিসাব ও নিরীক্ষা কর্মকর্তা খোরশেদুল আলম চৌধুরী, জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনতোষ চাকমা উপস্থিত ছিলেন।

সিভিল সার্জন ডা. বিপাশ খীসা রাঙামাটি জেলার করোনা পরিস্থিতির ওপর সংক্ষিপ্ত বিবরণ সভায় উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, রাঙামাটিতে সর্বশেষ (১৭ জুলাই পর্যন্ত) করোনা পজিটিভ আছেন ২১৫৪জন। সুস্থ হয়েছেন ১৭১৩জন। মোট মৃত্যু ২০জন। তিনি বলেন, ১ম ডোজ ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন ৩৮৩১৮ জন এবং ২য় ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন ১৮৮৮১জন। তিনি সভাকে বলেন, রাঙামাটিতে সংক্রমণের হারের বেশ উর্ধ্বমুখী। জাতীয় হারের চাইতেও বেশি। জাতীয় পর্যায়ে ২৯ শতাংশ, কিন্তু রাঙামাটিতে এ হার ৩৮ শতাংশ। আমরা যথেষ্ট বিপদজনক অবস্থায় আছি। সংক্রমণ যদি এভাবে বাড়তে থাকে তাহলে হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না। বিগত সময়ে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতার কারণে আমরা ৫৮দিন পর্যন্ত সংক্রমণমুক্ত ছিলাম। এ সংক্রমণ ঠেকাতে কি করতে হবে আমরা সকলেই জানি কিন্তু মানিনা। জনগণের সচেতনতাই মুখ্য। অশনাক্ত রোগীরাই সংক্রমণ ছড়াচেচ্ছ বেশি। করোনা পজিটিভরা ঘরে থাকে কিন্তু যারা অশনাক্ত তারাই সবচাইতে বিপদজনক। সুতরাং রোগী শনাক্তে টেস্ট করতে হবে বেশি করে। আমরা দেখেছি ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ১২ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে ১দিনেই ১ কোটি লোককে টেস্ট করা হয়েছে। তিনি এ সভার মাধ্যমে সবাইকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুই প্রু চৌধুরী বলেন, করোনার সরকারি বিধি-নিষেধের কারণে অফিস বন্ধ এবং স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও কর্মকর্তা-কর্মচারিরা অফিসের জরুরী কার্যাদি সম্পন্ন করার জন্যে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছেন। এজন্যে তিনি সকলকে ধন্যবাদ জানান। তিনি রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে কোভিড ইউনিট স্থাপনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button