খাগড়াছড়িব্রেকিং

জন্মসনদ জালিয়াতি করে বাল্য বিয়ের চেষ্টা,মুচলেকা নিয়ে ছাড়

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জন্মসনদ জালিয়াতী করে সপ্তম শ্রেণী পড়ুয়া স্কুল ছাত্রীর বিবাহের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। ঠিক সে সময় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে তা বন্ধ হয়ে যায়। মুচলেকা নিয়ে ছাড় দেওয়া হয় মেয়ের বাবাকে। আর জন্মসনদ প্রদানকারী ইউপি চেয়ারম্যানকে সতর্ক করে লিখিত নোটিশ দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

ঘটনাটি রবিবার উপজেলার কবাখালি ইউনিয়নের মুসলিম পাড়া গ্রামে। জানা যায়, মেরুং ইউনিয়নের ছোটমেরুং উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী হাজাছড়া এলাকার মো. আলী আকবরের মেয়েকে বিবাহ দেওয়া হচ্ছিল। কবাখালি এলাকায় মেয়ের মামার বাড়িতে রেখে বিবাহ সম্পাদনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু বাল্য বিয়ের সংবাদ পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে মেয়ের বাবাসহ স্বজনদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনা হয়। ডেকে আনা হয় সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধিদের।

উপজেলা নির্বাহী কমর্কতার কার্যালয়ে মেয়ের বাবা জানান, মেয়েকে বিয়ে দেওয়ার জন্য জন্মসনদে মেয়ের বয়স বাড়িয়ে দিতে অনুরোধ করলে ইউপি চেয়ারম্যান নতুন করে আরেকটি জন্মসনদ বানিয়ে দেন। অপরদিকে সংশ্লিষ্ট মেরুং ইউপি চেয়ারম্যান রহমান কবীর রতন জানান, ভূলবসত সনদটি দেওয়া হয়েছে; সেটি সংশোধন করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শেখ শহীদুল ইসলাম জানান, মেয়েকে বিদ্যালয়ে পাঠাবে এবং বর্তমানে বিয়ে দিবেনা মর্মে লিখিত অঙ্গিকার করায় মেয়ের বাবাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর মেরুং ইউপি চেয়ারম্যানকে সতর্ক করে লিখিত পত্র দেওয়া হয়েছে।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button