পাহাড়ের অর্থনীতিপাহাড়ের রাজনীতিব্রেকিংলিড

চুক্তিতে স্থবির অর্থনীতিতে দেখা দিয়েছে প্রাণচাঞ্চল্য

১৯৯৭ সালে চুক্তি স্বাক্ষরের পূর্বে হানাহানিতে তেমন কোনও প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেনি রাঙামাটিতে। কিন্তু চুক্তি পরবর্তী সময়ে শান্তি বাহিনীর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার পর পাহাড়ের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নানান উদ্যোগের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় কর্মসংস্থান। পাশাপাশি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নিরাপত্তা শঙ্কা দূর হওয়ায় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডেও গতি আসে। পাশাপাশি স্বস্তি ফিরে আসায় পাহাড়ে বাগান সৃজন, পশু পালন, মৎস্য শিকারের মাধ্যমে মানুষ স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে।

রাঙামাটি চেম্বার অব কমার্স, প্রেসিডেন্ট, বেলায়েত হোসেন বলেন, চুক্তি পরবর্তী সময়ে একটি স্থবিরতা কাটিয়ে আগে যেখানে ৫শতকোটি টাকা হতো বর্তমানে এখন তা ৫ হাজার কোটি টাকা হচ্ছে। ব্যক্তির পাশাপাশি সরকারের আয়ও দশগুণ বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ী সমিতির এই শীর্ষ নেতা।

প্রবীণ সংবাদকর্মী সুনীল কান্তি দে বলেন, চুক্তির পরে পার্বত্য অঞ্চলে সকলের মাঝে আর্থিক স্বচ্ছলতা বিরাজ করার কথা ছিল সেই লক্ষে আমরা পুরোপুরি পৌঁছাতে পারিনি। তবে অনেক উন্নয়ন হয়েছে পাহাড়ে।

কিছু অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও কতিপয় ব্যক্তির উন্নতিতে অর্থনৈতিক সচলতা এসেছে, এমনটা মানতে নারাজ চাকমা সার্কেল চিফ ব্যারিস্টার দেবাশীষ রায়। চুক্তির আগে গ্রামের মানুষগুলো কেমন ছিল আর সেই গ্রামে মানুষ এখন কেমন আছে তা দেখলেই বোঝা যাবে পাহাড়ে কি পরিমাণ অর্থনীতির উন্নয়ন ঘটেছে। আবার রাস্তাঘাট, বড় বড় দালানকোঠা হয়েছে বলেই বলা যাবে না অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটেছে।

সংরক্ষিত আসনের সাংসদ ফিরোজা বেগম চিনু বলেন, আমরা পাহাড়ে যে ব্যাপক উন্নয়ন দেখেছি তা দৃশ্যমান। এখানকার অর্থনৈতিক চাকা চুক্তির আগের তুলনায় অনেক বেশি। প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ দারিদ্রসীমার উপরে বসবাস করছে চুক্তির ফলে সরকারের উন্নয়ন কাজগুলো করার ফলে। চুক্তি পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের জন্য সরকার কাজ করে যাচ্ছে। পাহাড়ে অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করা গেলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরো বাড়তো।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

3 − 2 =

Back to top button