ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

‘চাপিলা ও কাঁচকি মাছ কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের ধ্বংসের কারণ’

কাপ্তাই হ্রদে চাপিলা ও কাঁচকি জাতীয় ছোট মাছ কার্প জাতীয় মাছের ধ্বংসের কারণ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু এমপি। তিনি বলেন, এসব ছোট ছোট মাছগুলো ধরতে গিয়ে কার্প জাতীয় মাছগুলোও ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। বিলুপ্ত কার্প জাতীয় মাছের আবারো ফিরিয়ে আনতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। শুক্রবার সকালে রাঙামাটি ফিসারি ঘাটে কাপ্তাই হ্রদে কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণের উদ্বোধনকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। শুক্রবার সকালে এই পোনা অবমুক্তকরণের উদ্বোধন করা হয়। পোনা অবমুক্তকরণ উদ্বোধনের আগে বিএফডিসি প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি বলেন, এই হ্রদের মাছ দিয়ে শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নই আমাদের দায় নয়, একই সাথে মাছের ভারসাম্য রক্ষার জলাধার এটি। এদিকেও আমাদের নজর দিতে হবে। প্রাকৃতিক প্রজননের স্থানগুলোকে রক্ষায় কাজ করা গেলে প্রাকৃতিক এই হ্রদে মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে তখন আর হ্যাচারি থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করার প্রয়োজন হবে না। সেই লক্ষে কাপ্তাই হ্রদকে দখল ও দূষণমুক্ত রাখতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশনা দেন মন্ত্রী।

পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু এমপি। এতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) দিলদার আহমদ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ইয়াহিয়া মাহামুদ, রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ, কাপ্তাই হ্রদ মৎস্য উন্নয়ন ও বিপনন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক কমান্ডার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

রাঙামাটি বিএফডিসি অফিস সূত্র জানায় , কাপ্তাই হ্রদ অতীতের চেয়ে মাছ আহরণ ও আয়ের রেকর্ড ভেঙে নতুন রেকর্ড গড়েছে। হ্রদে বিগত বছরের চেয়ে এবছর রাজস্ব আয় আরও বেড়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে আমাদের এই হ্রদ থেকে ১০ হাজার ১৫২ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়েছে যা ১৩ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। ২০১৮-২০১৯ বছরে তা ১০ হাজার ২৪৫ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে যা ১৩ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button