নীড় পাতা / পাহাড়ের সংবাদ / খাগড়াছড়ি / চাঁদার দাবিতে গুলি, মারধার, আহত ৩

চাঁদার দাবিতে গুলি, মারধার, আহত ৩

দীঘিনালায় পণ্যবাহি ট্রাকে চাঁদার দাবীতে মারধোর করে তিনজনকে আহত করেছে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। এসময় কয়েক রাউন্ড গুলিও ছোঁড়ে। এতে গুরুতর আহত জীপ চালক মো. হানিফকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। অপর দুইজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনা গতকাল (রবিবার) মেরুং-লংগদু সড়কের উপজেলার চৌধুরী পাড়া নামক এলাকায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে। আহত হানিফ উপজেলার মেরং এলাকার সওদাগর পাড়ার সাহেব আলীর ছেলে। এছাড়া আহত মো. হান্নান (৩০) এবং ইব্রাহিম (২৬) একই পাড়ার বাসিন্দা।
ট্রাক (নং- ফেনী-প ১১-০৫৬১) চালক সাইফুল ইসলাম (৩০) জানান, রাঙ্গামাটির লংগদু খাদ্যগুদামের চাল নিয়ে যাচ্ছিলেন। চৌধুরী পাড়া এলাকায় পৌছার পর সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে গাড়ি থামায়। গাড়ির গতিরোধ করে চাঁদা দাবী করে সন্ত্রাসীরা। তখন গাড়ির হেল্পার সন্ত্রাসীদের জানায়, সরকারী পণ্য পরিবহন করছে তাই চাঁদা দিতে পারবেনা। এ কথা শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে হেল্পারকে বন্দুক দিয়ে মারধোর শুরু করে। বিষয়টি চালক মোবাইল ফোনে জীপ গাড়ির চালক হানিফকে জানায়। তখন হানিফ ইব্রাহিমকে সাথে নিয়ে জীপগাড়িযোগে ঘটনাস্থলে পৌছে।

ইব্রাহিম জানান, তারা ঘটনাস্থলে পৌছে দেখেন ১০/১২ জনের সশস্ত্র দল ট্রাকের হেল্পারকে মারধোর করছে। এতে বাধা দিলে জীপের চালক হানিফকে লক্ষ্য করে গুলি করে। কিন্তু গুলিটি হানিফের মাথার পাশ দিয়ে চলে যায় এর পর হানিফকে এবং তাঁকেও বন্দুক দিয়ে মারধোর করে। বেশি মেরেছে হানিফকে; হানিফকে ছুরি দিয়েও আঘাত করেছে। পর সন্ত্রাসীরা চলে গেলে স্থানীয়দের সহযোগীতায় তাদেরকে হাসপাতালে পৌছে।
দীঘিনালা হাসপাতালে চিকিৎসা দেন কর্তব্যরত চিকিৎসক পারবন চাকমা। তিনি জানান, হানিফের মাথার পিছনে, পিঠে হাতে এবং আঘাতের চি‎হ্ন রয়েছে। মাথার আঘাতটি মারাত্মক তাই তাঁকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো স্থানান্তর করা হয়েছে।
দীঘিনালা থানার অফিসার ইনচার্জ উত্তম চন্দ্র দেব ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংবাদ পাওয়ার পুলিশ নিয়ে তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আরো দেখুন

মানিকছড়িতে ছাত্রলীগের শীতবস্ত্র বিতরণ

পাহাড়ে জেঁকে বসেছে শীত। এতে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে অসহায় দরিদ্র মানুষ। রাতে ঘরে, উঠানে আগুন …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

three × 1 =