আক্রান্ত

৭২৩,২২১

সুস্থ

৬২১,৩০০

মৃত্যু

১০,৪৯৭

  • জেলা সমূহের তথ্য
  • ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২,৭১৪
  • বরগুনা ১,০০৮
  • বগুড়া ৯,২৪০
  • চুয়াডাঙ্গা ১,৬১৯
  • ঢাকা ১৫০,৬২৯
  • দিনাজপুর ৪,২৯৫
  • ফেনী ২,১৮০
  • গাইবান্ধা ১,৪০৩
  • গাজীপুর ৬,৬৯৪
  • হবিগঞ্জ ১,৯৩৪
  • যশোর ৪,৫৪২
  • ঝালকাঠি ৮০৪
  • ঝিনাইদহ ২,২৪৫
  • জয়পুরহাট ১,২৫০
  • কুষ্টিয়া ৩,৭০৭
  • লক্ষ্মীপুর ২,২৮৩
  • মাদারিপুর ১,৫৯৯
  • মাগুরা ১,০৩২
  • মানিকগঞ্জ ১,৭১৩
  • মেহেরপুর ৭৩৯
  • মুন্সিগঞ্জ ৪,২৫১
  • নওগাঁ ১,৪৯৯
  • নারায়ণগঞ্জ ৮,২৯০
  • নরসিংদী ২,৭০১
  • নাটোর ১,১৬২
  • চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৮১১
  • নীলফামারী ১,২৮০
  • পঞ্চগড় ৭৫৩
  • রাজবাড়ী ৩,৩৫২
  • রাঙামাটি ১,০৯৮
  • রংপুর ৩,৮০৩
  • শরিয়তপুর ১,৮৫৪
  • শেরপুর ৫৪২
  • সিরাজগঞ্জ ২,৪৮৯
  • সিলেট ৮,৮৩৭
  • বান্দরবান ৮৭১
  • কুমিল্লা ৮,৮০৩
  • নেত্রকোণা ৮১৭
  • ঠাকুরগাঁও ১,৪৪২
  • বাগেরহাট ১,০৩২
  • কিশোরগঞ্জ ৩,৩৪১
  • বরিশাল ৪,৫৭১
  • চট্টগ্রাম ২৮,১১২
  • ভোলা ৯২৬
  • চাঁদপুর ২,৬০০
  • কক্সবাজার ৫,৬০৮
  • ফরিদপুর ৭,৯৮১
  • গোপালগঞ্জ ২,৯২৯
  • জামালপুর ১,৭৫৩
  • খাগড়াছড়ি ৭৭৩
  • খুলনা ৭,০২৭
  • নড়াইল ১,৫১১
  • কুড়িগ্রাম ৯৮৭
  • মৌলভীবাজার ১,৮৫৪
  • লালমনিরহাট ৯৪২
  • ময়মনসিংহ ৪,২৭৮
  • নোয়াখালী ৫,৪৫৫
  • পাবনা ১,৫৪৪
  • টাঙ্গাইল ৩,৬০১
  • পটুয়াখালী ১,৬৬০
  • পিরোজপুর ১,১৪৪
  • সাতক্ষীরা ১,১৪৭
  • সুনামগঞ্জ ২,৪৯৫
ন্যাশনাল কল সেন্টার ৩৩৩ | স্বাস্থ্য বাতায়ন ১৬২৬৩ | আইইডিসিআর ১০৬৫৫ | বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন ০৯৬১১৬৭৭৭৭৭ | সূত্র - আইইডিসিআর | স্পন্সর - একতা হোস্ট
খাগড়াছড়িব্রেকিংলিড

চলে গেলেন শিক্ষাবিদ অনন্ত বিহারী খীসা

ইউপিডিএফ সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসার পিতা

পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সমাজসেবক ও ইউপিডিএফ সভাপতি প্রসিত বিকাশ খীসার পিতা অনন্ত বিহারী খীসা পরলোকগমন গেছেন।  মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। বৃহস্পতিবার বেলা পোনে ১টায় খাগড়াছড়ি সদরের অনন্ত মাস্টার পাড়ায় তার নিজ বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি বলে জানিয়েছেন তার মেজ ছেলে প্রদীপ্ত খীসা।

ইউনাইটেড পিপল্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ)-এর সাধারণ সম্পাদক রবি শংকর চাকমা, ইউনাইটেড ওয়ার্কার্স ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের সভাপতি সচিব চাকমা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের সভাপতি অংগ্য মারমা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভানেত্রী নিরূপা চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি বিপুল চাকমা বৃহস্পতিবার এক যুক্ত বিবৃতিতে অনন্ত বিহারী খীসার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শিক্ষা বিস্তারে তার বিশাল অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, অনন্ত বিহারী খীসা ছিলেন একজন অত্যন্ত সৎ, নীতিবান, প্রজ্ঞাবান, একনিষ্ঠ ও আদর্শ শিক্ষক। তার জীবনাচার ও কর্ম অনেকের কাছে অনুকরণীয় ও অনুসরণীয় হয়ে থাকবে।

তাকে একজন রাজনীতি ও সমাজ সচেতন গুণী ব্যক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে তারা বলেন, ‘অনন্ত বিহারী খীসা ছাত্রজীবনে প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং জেল খেটেছিলে। বিশেষ করে ১৯৫০ দশকের শেধার্ধে পাহাড়ি ছাত্রদের সংগঠিত করতে ও জাতীয় চেতনার বিকাশ ঘটাতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।’

এছাড়া পরবর্তী জীবনে শিক্ষা পেশায় জড়িত থাকার সময়ও তিনি বাংলাদেশ সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে রাজনৈতিক সংলাপ অনুষ্ঠানে ভূমিকা রেখেছিলেন বলে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন।

তারা অনন্ত বিহারী খীসাকে একজন বড় মাপের ব্যক্তিত্ববান মানুষ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তিনি বিভিন্ন সময় পাহাড়ি জনগণের উপর শাসকগোষ্ঠীর অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার ছিলেন এবং অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নিয়োজিতদের নানাভাবে সাহস ও অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।

শিক্ষা, সমাজ ও জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য তিনি পাহাড়ি-বাঙালি সবার স্মৃতিতে শ্রদ্ধার পাত্র হিসেবে বেঁচে থাকবেন বলে তারা মন্তব্য করেন এবং বলেন তার মৃত্যুতে জনগণ একজন বড় অভিভাবককে হারিয়েছে।

ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডিএফ)’র প্রচার ও প্রকাশনা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা নিরন চাকমা সাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এইসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাধীনতার পর বাকশাল গঠিত হলে অনন্ত বিহারী খীসাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাকশালের খাগড়াছড়ির সেক্রেটারি ঘোষণা করেছিলেন বলে তার পারিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

অনন্ত বিহারী খীসা ১৯৩৭ সালের ১ নভেম্বর খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলার খুলারাম পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

৮৩ বছর বয়সে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুকালে অনন্ত বিহারী খীসা তিন ছেলে এবং এক মেয়ে রেখে যান। সন্তানদের মধ্যে তার মেয়ে সবার বড়। তার দ্বিতীয় সন্তান ছেলেদের মধ্যে বড় প্রসীত বিকাশ খীসা ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এর সভাপতি।

১৯৬০ সালে খাগড়াছড়ি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চাকরিতে যোগ দেন। পরে প্রধান শিক্ষক হন। খাগড়াছড়ি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৫ সালে রামগড় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে অবসরে যান।

অবসরকালীন সময়ে তিনি বিভিন্ন শিক্ষামূলক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনে অবৈতনিক দায়িত্ব পালন করতেন।

তার মৃত্যুতে শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্সের চেয়ারম্যান কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা এমপি, তিন পার্বত্য জেলা নারী সংসদ সদস্য বাসন্তী চাকমা, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি পৌরসভার মেয়র নির্মলেন্দু চৌধুরী, খাগড়াছড়ি প্রেস ক্লাব এবং খাগড়াছড়ি সাংবাদিক ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ করেছে।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button