ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

চলার পথ বন্ধ : বিপাকে এফপিএবি’র সেবা কার্যক্রম!

বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি) রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ের যাতায়াতের পথে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় চিকিৎসা সেবা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সংস্থাটি। শনিবার সকালে এফপিএবি রাঙামাটি জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ তুলেন সংস্থাটির জেলা সভাপতি মো. মুজিবর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে মুজিবর রহমান দাবি করেন, ‘১৯৯৩ সাল থেকেই সংস্থাটির রাঙামাটি শাখা কার্যালয়ে সন্তান সম্ভবা মায়েরা পায়ে হেঁটে বা অ্যাম্বুলেন্স যোগে এসে চিকিৎসা সেবাগ্রহণ করে আসছেন। কিন্তু সম্প্রতি রাঙামাটি চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নিজস্ব রেকর্ডীয় জমির বাহিরে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করায় এফবিএবি কার্যালয় ও হাসপাতালের চলাচলের সড়কটি সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে সুবিধাবঞ্চিত প্রজনন সেবাপ্রার্থী মায়েদের চিকিৎসা সেবাও ব্যাহত হচ্ছে।’

লিখিত বক্তব্যে সভাপতি বলেন, ‘নিষ্পেষিত জনগণের শেষ আশ্রয়স্থল বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে নয়, আমরাও চাই আদালতের নিরাপত্তা বিঘ্ন না হোক। নিতান্ত মানবিক দিক বিবেচনায় মা ও শিশু তথা প্রজনন স্বাস্থ্য সেবা নিরবিচ্ছিন্ন করার জন্য পূর্বের চলাচলের রাস্তাটি অবমুক্ত করে সীমানা প্রাচীর পুনর্নির্মাণের আকুল আবেদন জানাচ্ছি।’ তিনি বলেন, এ বিষয়টি নিয়ে আমরা জেলা প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। আমরা আইন মন্ত্রণালয়ের থেকেও বিষয়টির সুরাহা করার চেষ্টা করছি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র ও জেলা এফপিএবির আজীবন সদস্য আকবর হোসেন চৌধুরী, জেলা এফপিএবির সাবেক সভাপতি ও আজীবন সদস্য একেএম মকছুদ আহমেদ ও ইউছুপ চৌধুরী, রাঙামাটি পাবলিক কলেজের ও আজীবন সদস্য অধ্যক্ষ তাসাদ্দিক হোসেন কবির, জেলা কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মো. সোলায়মান, এফপিএবির কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খিয়ং চাক প্রমুখ।

এসময় রাঙামাটি পৌরসভার মেয়র ও জেলা এফপিএবির আজীবন সদস্য আকবর হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘নতুন আদালত ভবন নির্মাণের পরই কর্তৃপক্ষ সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু করে। সীমানা প্রাচীর নির্মাণ কাজ শুরু করায় পর আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এই বিষয়ের একটা সুরাহা করার জন্য সাক্ষাৎ করি, তারাও আমাদের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু এখন এফপিএবির চলাচলের রাস্তাটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রোগীরা হেঁটে ও অ্যাম্বুলেন্স যোগে এসে চিকিৎসা নিতে পারছেন না। আমরা আদালতের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হোক এটা চাই না। মানবিক দিক বিবেচনা করে আমরা যাতায়াতের রাস্তা প্রদানের দাবি জানাচ্ছি।’

জেলা এফপিএবির কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. খিয়ং চাক জানান, প্রতিদিন গড়ে ২৫-২৮ জন সেবাগ্রহীতা এই সংস্থাটি থেকে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করে আসছেন। মাসিক সেবাগ্রহীতার সংখ্যা হাজারের মত। কিন্তু এমতাবস্থায় এর সেবা কার্যক্রম একেবারে বিঘ্ন করে পড়েছে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button