খেলার মাঠব্রেকিংরাঙামাটিলিড

চমকে দেয়া জয়ে সেরাই হলেন মামুন

রাঙামাটির মানুষ মজা করে তাকে ‘নির্বাচনপ্রিয় মানুষ’ হিসেবেই মন্তব্য করেন সবসময়। নানান সময়ে নানান নির্বাচনে অংশ নেয়া এই মানুষটি কখনো বিজয়ী হয়েছেন,আবার কখনো পরাজিত হয়েছেন। তবে পরাজিত হয়ে কখনই হতোদ্যম হননি,পুনারয় ঝাঁপিয়ে পড়েছেন নিজের কাজে কিংবা লড়াইয়ে। তিনি মামুনুর রশীদ মামুন। পেশায় আইনজীবি,মূলত রাজনীতিবিদ কিন্তু রক্তে তার স্পোর্টস !

সেই ছোটবেলা থেকেই সাউথ রাঙামাটির সাথে জড়িয়ে থাকা এই মানুষটি সর্বশেষ চারবছর আগে জেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচনে সাধারন সম্পাদক পদে লড়াই করেই হেরেছিলেন। হেরেও মাঠেই ছিলেন বরাবরের মতোই। আর সেই মাঠে থাকারই পুরষ্কার পেলেন তিনি এবার । সহসভাপতি পদে জেলা যুবলীগ সভাপতি পৌরমেয়র,প্রভাবশালী পরিবহন নেতা,প্রাজ্ঞ সাংবাদিকসহ বহু বাঘা বাঘা প্রার্থীকে পেছনে ফেলে তিনিই সর্বাধিক ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন এক নম্বর সহসভাপতি হিসেবে। ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ও নেতারা সবাই হতবাক তরুণ এই বিএনপি নেতার ঈর্ষনীয় ফলাফলে।

বাবার পথ ধরে রাজনীতিতে আসলেও খেলার মাঠে এসেছিলেন মামুন কৈশরের দুর্নিবার আকর্ষণেই,প্রাণের তাগিদেই। সেই থেকেই রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গনের চেনা মুখ তিনি। বিভিন্ন সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থায় পালন করেছেন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও। এবারের দায়িত্বও চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।

তিনি বলেন, রাঙামাটির ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ আমার প্রতি যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে আমাকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করেছে,আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। আমি চেষ্টা করব সেই আস্থার প্রতিদান দিতে।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের বাঘা বাঘা প্রার্থীদের পেছনে ফেলে মামুনুর রশীদের এক নম্বর সহসভাপতি হওয়ায় খুশি বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হয়ে দলীয় কার্যালয়,সর্বত্রই চলছে মামুন বন্দনা। ফলাফল ঘোষণার পর বিএনপি অফিসে অনানুষ্ঠানিক সংবর্ধনাও হয়ে গেলো। মাঠে মানুষ মামুনের মাঠের বিজয়ে উৎফুল্ল দলীয় কর্মী,শুভানুধ্যায়ী এবং ক্রীড়াঙ্গনের মানুষও।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button