খেলার মাঠরাঙামাটিলিড

ঘাসে ঢাকা মাঠ, দোহাই যন্ত্রের অভাব!

সৈকত বাবু ॥
প্রথম দেখাতে বুঝার উপায় নাই মাঠ নাকি ঘাসের ক্ষেত। করোনার বিধিনিষেধে সবকিছু বন্ধ ছিল তেমনই বন্ধ ছিল মাঠ। মাঠ ছিল খেলা ও খেলোয়াড় শূন্য। তাই অযতেœ পড়েছিল মাঠ।

রাঙামাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মারী স্টেডিয়াম মাঠ পরিচর্যার অভাবে ও মাঠে খেলোয়াড়দের অনুশীলন না থাকায় মাঠে হয়েছে হাঁটু সমান ঘাস। করোনার বিধিনিষেধ উঠে গেলেও মাঠ থেকে ঘাস কাঁটার কোন উদ্যোগ নেই জেলা ক্রীড়া সংস্থার।

আশপাশের গরুচাষিরা মাঠ থেকে নিজ হাতে কেটে নিচ্ছেন ঘাস। তাদের মাধ্যমেই হয়তো মাঠের ঘাস শেষ হবে সেই ভরসায় আছে ক্রীড়ার সাথে জড়িত সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠানটি। ঘাস কাটার জন্য কোনধরনের মেশিন নেই বলে ঘাস কাটা সম্ভব হচ্ছে না দাবি জেলা ক্রীড়া সংস্থা কর্তাদের।

বিধিনিষেধ শিথিল করায় এখন মাঠমুখি হচ্ছে খেলোয়াড়রা এতে বিপত্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। ঘাসের কারণে খেলা বা অনুশীলনের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে মাঠ। এতে হতাশার পাশাপাশি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনুশীলন প্রত্যাশী খেলোয়াড়রা।

রাঙামাটি জেলা ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় লেমন বলেন, আমরা মাঠে অনুশীলনে আসছি, তবে ঘাসের কারণে অনুশীলন ঠিকমত করতে পারছি না। দ্রুত ঘাস কেটে নিলে আমাদের জন্য খুবই ভালো হবে।

ফুটবল অনুশীলনে আসা অনেকে বলেন, অন্য অনেক মাঠে দেখি ঘাস বড় হলেই নিয়মিত কাটা হয় কিন্তু আমাদের মাঠ দেখি এভাবে ঘাস হয়ে থাকে অনেকদিন ধরে। মাঠের এমন অযতœ খেলা বিরোধী আচরণের সমান। নিজেদের সামর্থ্য থাকার পরও কেন মেশিনের জন্য অন্যের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে সে প্রশ্নও করেন তারা।

জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতি বরুণ বিকাশ দেওযান বলেন, আমাদের ঘাস কাটার মেশিন না থাকার কারণে কাটতে পারছি না। তবে আমি মিটিংয়ে প্রস্তাবও করেছিলাম মেশিন কিনার জন্য, তবে কেন এখনো কেনা হয়নি, তা আমি জানি না। এমন ঘাসে অনুশীলন করা আসলেই খুবই কষ্টসাধ্য বলে স্বীকার করেন।

রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম বলেন, আমাদের ঘাস কাটার একটি মেশিন ছিল সেটি নষ্ট হয়ে গেছে। রাঙামাটি ব্রিগেড থেকে একটি মেশিন পাওয়ার আশ্বাস পেয়েছি, সেটির জন্য অপেক্ষা করছি অন্যথায় আমরা নিজেদের অর্থায়নে কিনে ফেলবো। জেলা প্রশাসক মহোদয়ও ধীরে ধীরে খেলাধুলা চালু করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button