ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ প্রকল্প উদ্বোধন রাঙামাটিতে

বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় স্থানীয় বিচার ব্যবস্থা শাক্তিশালী করণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকালে শহরের রাঙামাটি শহরের পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্স এর সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রোকসানা কাদের এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব মেসবাহুল ইসলাম, এতে আরো উপস্থিত ছিলেন, ইউরোপিয়ন ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত এইচ ই রেনজি থিউরিংক, ইউএনডিপি বাংলাদেশ আবাসিক প্রতিনিধি সুদীপ্ত মুখার্জী, চাকমা সার্কেল চীফ দেবাশীষ রায়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ সদস্য গৌতম চাকমা, খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কংজেরি চৌধুরীসহ তিন জেলার প্রথাগত প্রতিনিধিগন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগন ।

এসময় বক্তারা বলেন, সমতল এলাকায় গ্রাম আদালত যেভাবে কাজ করে পার্বত্য এলাকায় কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। এখানে প্রতিটি মৌজায় হেডম্যান ও কার্বারী রয়েছে যারা ইতোমধ্যে গ্রামের সমস্যগুলো গ্রামেই সমাধানের চেষ্টা করে। এই প্রকল্পের কার্যক্রমের মাধ্যমে বিচারিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে এবং অত্র এলাকায় গ্রামীণ জনসাধারণ কম খরচে ও স্বল্প সময়ে বিচারিক সেবা পাবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সচিব মেসবাহুল ইসলাম বলেন, জুডিসিয়াল বিচার ব্যবস্থার ওপর চাপ কমাতে সরকার এ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষেত্রে এখানকার প্রথাগত আইন, রীতিনীতি সংস্কৃতি রক্ষার জন্য এ প্রকল্প সহায়ক হবে বলে আমরা করছি। ফৌজদারী যেসব অপরাধের ঘটনাগুলো ঘটে, এই এলাকার প্রথাগত আইন, রীতিনীতি অনুসারে যদি গ্রাম আদালতের মাধ্যমে থাকিয়ে দেওয়া যায় তাহলে অবশ্যই এই এলাকার মানুষ তো উপকৃত হবে, সাথে দেশও উপকৃত হবে।

তিনি আরো বলেন, তিন পার্বত্য জেলা সমূহে ১২১টি ইউনিয়নেই স্থানীয় সরকার বিভাগ এর মাধ্যমে নিজেদের অর্থায়নে এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইউনিডিপি এর আর্থিক ও কারিগরি সহযোগিতায় আগামী চার (০৪) বছর গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (২য়) প্রকল্পটি পরিচালিত হবে। এই আদালতের মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৭০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে, এমন বিচার কাজ করতে পারবে গ্রাম আদালত।

এসময় তিনি আরো বলেন, সর্বস্তরের মানুষ যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারে এজন্য সরকার ১৯৯৮ সালে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য চুক্তি করেছে এবং পাবর্ত এলাকায় উন্নয়নও বেগবান হয়েছে। শান্তি ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব না। গত বছর তিন জেলায় পার্বত্য মন্ত্রণালয় একাই ১ হাজার ১৭ কোটি টাকার কাজ করেছে। এছাড়া ৮০ হাজার মেট্রিক টন প্রায় ৩০০ কোটি টাকার খাদ্যসহায়তাও দেওয়া হয়েছে। পার্বত্য এলাকা সমতলের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে থাকার কারনে সরকার এসব প্রকল্প হাতে নিয়েছে।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button