খাগড়াছড়িলিড

খাগড়াছড়ির ৫৫ মন্ডপে চলবে দেবী দূর্গার আরাধনা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি

দূর্গা পূজার সময় যতোই ঘনিয়ে আসছে ততোই ব্যস্ততা বাড়ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ও পাহাড়ের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির মাঝে। খাগড়াছড়ির পুজা মন্ডপগুলোতে দূর্গাসহ প্রতিমা তৈরীর কাজ চলছে জোরেসোরে। গেল বছর মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে দূর্গা পূজার আনন্দ কিছুটা ম্লান হলেও এবার উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে দূর্গাপূজার প্রস্তুতি।

খাগড়াছড়ি জেলা শহর এবং ৯টি উপজেলার প্রায় ৫৫টি পূজা মন্ডপে চলবে দেবীর আরাধনা। এরই মধ্যে কোন কোন মন্ডপে মৃৎ শিল্পীদের হাতের নিঁপূণ ছোঁয়ায় দেবী দূর্গার বিমূর্ত অবয়ব ফুটে উঠেছে। কোথাও কোথাও প্রতিমায় রংয়ের কাজও শুরু হয়েছে। ডাক-ঢোলের দোকানে ভীড় করছেন পূজার্থীরা। দূর্গা উৎসবের মুল আকর্ষণ আরতি‘র জন্য সবাই যে যার সামর্থ্য অনুযায়ী কিনছেন নতুন ঢোল অথবা মেরামত করছেন পুরনো ঢাক।

দূর্গোৎসবকে সামনে রেখে শিশু-কিশোর কিশোরীরাও উল্লসিত। উৎসবের আমেজ ছোট-বড় সবার মধ্যে। অন্যদিকে পুজার সামগ্রি এবং পোষাক-আশাকের দোকানিদের মাঝে বিশেষ আগ্রহ। বেচাকেনা বেশির আশায় তারাও প্রস্তুত ভিন্নভাবে।

খাগড়াছড়ি জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক তরুণ কুমার ভট্টাচার্য্য বলেন, এবার জেলায় ৫৫টি মন্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। আমরা সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মন্ডপগুলোতে তিনটি ভাগে ভাগ করেছি। আশা করি বিগত বছরগুলোর মত অত্যন্ত সুন্দর পরিবেশে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

সবচেয়ে বড়ো উৎসব হবার কারণে দূর্গা মন্ডপগুলোতে প্রতিবছর ভীড় করেন অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও। থাকতে হয় বিশেষ সতর্ক। তাই এবারও খাগড়াছড়ি দূর্গা পূজাকে নির্বিঘœ করতে আইন শৃংখলাবাহিনী অতিরিক্ত নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহন করবে।

খাগড়াছড়ির পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দল আজিজ বলেন, শারদীয় দূর্গা পূজা যাতে নির্বিগ্নে করতে পারে সে জন্য সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। মন্ডপ থেকে শুরু করে মন্ডপের বাইরে সবখানে আমাদের বাড়তি নজরদারি থাকবে।

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাতে সনাতন ধর্মাবলম্বী হিন্দু ও ত্রিপুরা সম্প্রদায় সবচেয়ে বড়ো এই উৎসবে মহানন্দে শামিল হন। শহর ছাপিয়ে গ্রামেও ছড়িয়েছে আড়ম্বর আমেজ।

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button