অরণ্যসুন্দরীব্রেকিংলাইফস্টাইললিড

কেমন আছো আমার শহর?

শহর আমার, ফুরোমনের চূড়ায় কি সূর্য ডুবতেই ঠিকঠাক জ্বলে উঠে সন্ধ্যাবাতি?শহরে পা রাখা পথিক কি ঠিক বিমোহিত চোখে চেয়ে থাকে দূরে,সেই উঁচু পাহাড়ের মোড়টা থেকে আমার জোনাক জ্বলা শহর দ্যুতি ছড়ায় ঠিক যে অব্দি।মুগ্ধ বাতাসে ভাসিয়ে দাও নিশ্চয় বরাবরের মতই।শহরের প্রথম মোড়ে হাত উঁচিয়ে দীপ্তি ছড়ানো মানুষটার ছায়াতলে ঠিকঠাক ভীড় জমায় শহরের দূরন্ত ছেলেপুলের দল শেষবিকেলে আড্ডায় মুখরতায়।মফস্বলের ব্যতিব্যস্ত সড়কের পাশে কি জমে উঠেছে শীত পিঠার উৎসব।ওহ ভুলেই গেছি,কুয়াশা নিশ্চয় নেমে পড়েছে ফুরোমনের গা জুড়ে।মফস্বলের শহুরে ব্যস্ততা ফুরে ওই দূর রাস্তা কারো কারো প্রাত্যহিকতা আটকে থাকে যে ধুলায় মোড়াতে ওই ওখানে কুয়াশা নিশ্চয় ঠিক ঠিক টেনে আনে সন্ধ্যা আধার।উঁচু সর্পিল হীম আবেশের ভালবাসা জড়ানো রাস্তা ডিঙে কেবলই এক কাপ চা।বাঁশের কেদারায় পা ঝুলিয়ে এক কাপ লাল চা।সঞ্জীব কাকু কেমন আছে?ইদানীং ভীড় বেড়েছে নাকি খুব।খুব শীতে ওদিকটা খুব একটা মাড়াতে চায়না যদিও কেউ,সে বেশ জানা আমার।আমার কি আর সেসবে বারণ সারণ আছে।আচ্ছা,ওই পথের ধূলোবালি মনে করে কি আমায়।তারপরে ওই দূরের ঝুল বারান্দার মাচাং দিব্যি ঘন্টা পেরিয়ে যেত দাদুর হুক্কায় অকারণ ছেলেমানুষিতে। ফুরোমন ওই দূর আকাশ ভেদ করে শহরের এই মাথায় দোতালা বাড়ির ছাদে ঠিক বিষন্ন কেমন সন্ধ্যা নামে,আজো।বিষন্ন শুন্যতায় ছাদে সময় পার করে মা।ফুরোমন তুমি কি দেখ!রাতের নিজেস্বতায় জেগে থাকা একমাত্র গরম উনুনের দোকান।চুমুক রাখিনা কতকাল। শীত নামছে।এই শহরে পথে ফিরতে ফিরতে পাহাড়ের যে বাতাস ছুঁয়ে যায় হঠাৎ,মনেহয় ছুট্টে যায় তোমার কাছে।হাত মেলে জড়িয়ে নেই হীম ভালোবাসা।কতদিন দেখিনা তোমায় ছুঁইনা কতকাল। প্রিয় শহর আমার কেমন আছো তুমি?জানো আমি ভালো নেই,একদমই……

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eleven − eight =

Back to top button