ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

কেপিএমে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দাবি

রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনায় অবস্থিত এশিয়ার বিখ্যাত কর্ণফুলী পেপার মিলস (কেপিএম) এলাকাতে অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিকদের উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে এলাকায় সাধারণ মানুষ বিক্ষোভ এবং স্মারকলিপি প্রদান করেছে। বিক্ষোভ সমাবেশ হতে বাসিন্দাদের অভিযান বন্ধসহ কেপিএম এমডিকে ৩দিনের মধ্যে অপসারণের দাবি জানানো হয়।

কেপিএম উচ্ছেদ অভিযান প্রতিরোধ নাগরিক কমিটির আয়োজনে বৃহস্পতিবার বিকালে কেপিএম এলাকা হতে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধকরনের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন দাবি জানান রাঙামাটি জেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মফিজুল হক।

তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক কর্মচারীরা যারা বিগত ২-৩বছর যাবত তাদের সমুদয় বকেয়া না পেয়ে হন্য হয়ে ঘুরছে, কিন্তু কেপিএম কর্তৃপক্ষ তাদের পাওনাদি পরিশোধ না করে তাদের কেপিএম হতে বিতাড়িত করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ৪ মাস যাবত এলাকায় পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বৈদ্যুতিক সংযোগ প্রদান ও বসবাসরতদের উচ্ছেদের ক্ষেত্রে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রত্যাহার করতে হবে। মামলার রায় হলে পরে আমরা ভেবে দেখবো, এই মুহূর্তে উচ্ছেদ অভিযান বন্ধের দ্রুত দাবি জানান তিনি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে কেপিএমের জিএম (প্রশাসন) জাহাঙ্গীর হোসেন খান জানান, বর্তমানে কেপিএম এ চাকুরিরত আছে ৬ শত শ্রমিক কিন্ত কেপিএম এলাকায় বসবাস করে ২২ শত পরিবার। গত মাসে কেপিএম কর্তৃপক্ষ গ্যাস বিদ্যুৎ বাবদ ৭৮ লাখ টাকা প্রদান করেছে যা দিয়ে শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া প্রদান করা যেতো। তিনি বিসিআইসি কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে আগে অবহিত করা হয়েছে।

এদিকে এর আগে কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি দেন স্থানীয়রা।

চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার ইসলাম বেবির সঞ্চালনায় এসময় উপস্থিত ছিলেন কাপ্তাই উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি অংসুইছাইন চৌধুরী, কাপ্তাই উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত বিকাশ তঞ্চঙ্গ্যা, উচ্ছেদ অভিযান প্রতিরোধ নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক ইসমাইল ফরিদসহ চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের শতশত নারী পুরুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button