ব্রেকিংরাঙামাটি

কাপ্তাইয়ে ঝুঁকিতে পাঁচ শতাধিক পরিবার

রাঙামাটির কাপ্তাইয়ের ঢাকাইয়া কলোনী, লক গেইট, শিল্প এলাকা, মুরগির টিলা, ওয়াগ্গা মুরালীপাড়া, কুকিমারা রাইখালীর নারানগিরি, চন্দ্রঘোনার বারঘোনিয়াসহ ৫ ইউনিয়নের বিভিন্নস্থানে পাহাড়ের ঢালে প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে। ২০১৭ সালে এসব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত পরিবারগুলোর মধ্যে ১৮জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে পাহাড়ধসের কবলে পড়ে করুণ মৃত্যুর শিকার হয়েছে। এদিকে বর্ষার আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ পরিবার সমূহকে আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করার বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে দেখা গেছে প্রশাসনকে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আশ্রাফ আহমেদ রাসেল বলেন, পাহাড় ধসের কবলে পড়লে যে শুধু একজন ব্যক্তির ক্ষতি ও প্রাণহানি হবে, তা নয়। পাশাপাশি গোটা পরিবারে নেমে আসবে হতাশা। সমাজেও এক ধরণের অস্থিরতার সৃষ্টি হবে। তাই আসন্ন বর্ষার সময় পূর্বের ন্যায় আর বাড়ি-ঘরে অবস্থান না করে সকলকে আগে ভাগে আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিতে হবে। এতে পাহাড় ধসে মৃত্যুঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। আশ্রয় নেওয়া পরিবারসমূহের পর্যাপ্ত খাবার ও থাকার ব্যবস্থা হবে। অন্যদিকে, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরত কোনো পরিবার যদি আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে না চায় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইউএনও।

এদিকে, কাপ্তাইয়ে বর্ষার সময়ে ৫ ইউপি কার্যালয়, বিভিন্ন প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়কে অস্থায়ীভাবে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে কাপ্তাই উচ্চ বিদ্যালয় এবং চন্দ্রঘোনা ইউপি কার্যালয়ে বেশি মানুষকে আশ্রয় নিতে দেখা গেছে। এ সময় সরকারি ভাবে বিভিন্ন সাহায্য সহযোগীতা পাওয়ার পাশাপাশিও এসব ইউনিয়নের জনপ্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে দেখা গেছে।

গত সোমবার কাপ্তাইয়ের নতুন বাজার, লক গেইট ও ঢাকাইয়া কলোনীতে গিয়ে বর্ষার সময় পাহাড় ধ্বসে প্রাণহানি রোধে সকলের নিরাপত্তার স্বার্থে নিকটস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে উদ্বুদ্ধকরণ ও লিফলেট বিতরণ করেন কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশ্রাফ আহমেদ রাসেল। এসময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন, কাপ্তাই থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) নূরুল আলম, কাপ্তাই ইউপি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আব্দুর লতিফ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button