নীড় পাতা / পাহাড়ের অর্থনীতি / উন্নয়ন বোর্ড প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মান উন্নয়নে কাজ করছে
parbatyachattagram

উন্নয়ন বোর্ড প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মান উন্নয়নে কাজ করছে

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নব বিক্রম কিশোর ত্রিপুরা বলেছেন, ‘উন্নয়ন বোর্ড প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় অসচ্ছল নারীদের মাঝে এ গাভী বিতরণ। এ প্রকল্পটি একটি পাইলট প্রকল্প যার মধ্য দিয়ে আমরা ১ হাজার ৩০০ পরিবারের মাঝে গাভী বিতরণ করবো।’

মঙ্গলবার সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রাঙ্গণে পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অস্বচ্ছল ও প্রান্তিক পরিবারের নারী উন্নয়নে গাভী পালন প্রকল্পের আওতায় গাভী বিতরণকালে এসব কথা জানান তিনি। এসময় তিনি রাঙামাটি জেলার দশ জন প্রান্তিক অস্বচ্ছল নারীকে গাভী প্রদান করে গাভী প্রদান কার্যক্রম আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।

চেয়ারম্যান বলেন, ‘এ প্রকল্প সফল ভাবে করতে পারলে পরিবর্তী সময়ে তিন পার্বত্য জেলার সকল ইউনিয়নের প্রান্তিক পরিবারকে যাতে এ সুবিধা দেয়া যায়। সে জন্য অরো বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।’

গাভী পেয়ে উপকারভোগীরা বেশ খুশি তেমনই এক সুচরিতা চাকমা। তিনি জানান, আমরা উন্নয়ন বোর্ডের কাছে কৃতজ্ঞ যে তারা আমাকে গাভী দিয়ে আমাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। আমি চেষ্টা করব এ গাভী দিয়ে আমার ভাগ্য পরিবর্তন করতে।

প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেন, পার্বত্য এলাকায় এ গাভী বিতরনের ফলে একটি পরিবারের আয়ের সুযোগ সৃষ্টি হবে। পর্যাযক্রমে নির্বাচিত সকল অস্বচ্ছল নারীকে গাভী প্রদান করা হবে। এমন প্রকল্প প্রণয়ন করার জন্য তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

গাভী বিতরন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাবর্ত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস-চেয়ারম্যান অতিরিক্ত সচিব তরুণ কান্তি ঘোষ, বোর্ডের সদস্য অর্থ যুগ্ম সচিব শাহিনুল ইসলাম, বোর্ডের সদস্য (প্রশাসন) যুগ্ম সচিব অশীষ কুমার বড়ুয়া, বোর্ডের সদস্য (পরিকল্পনা) উপ সচিব ড. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, বোর্ডের সদস্য বাস্তবায়ন ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের অস্বচ্ছল ও প্রান্তিক পরিবারের নারী উন্নয়নে গাভী পালন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক উপ-সচিব মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ ও উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মুজিবুল আলম।

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের বাস্তবায়নাধীন এ প্রকল্পের আওতায় ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের নির্বাচিত উপকার ভোগীদের মাঝে এ গাভী বিতরন করা হয়। ইতোমধ্যে তিন পার্বত্য জেলায় এ প্রকল্পের আওতায় ১৯০ টি গাভী বিতরন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য পাবর্ত্য চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের অস্বচ্ছল ও প্রান্তিক পরিবারের নারী উন্নয়নে গাভী প্রকল্পের মাধ্যমে ১ হাজার ৩০০ টি গাভী বিতরণ, ১ হাজার ৩০০টি ডেইরি শেড স্থাপন ও ১৩০ টি বায়োগ্যাস প্লান্ট স্থাপনের মাধ্যমে ১ হাজার ৩০০ দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রান্তিক পরিবারের আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্পের মেয়াদ ২০২০ সালের শেষ হবে ডিসেম্বরে শেষ। এ প্রকল্পটিতে মোট বাজেট ১২ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

এডিসি বাংলো এখন বখাটেদের আখড়া!

রাঙামাটি শহরের তবলছড়ি পর্যটন রোডে এডিসি হিল বাংলো এখন মাদকসেবী আর বখাটেদের নিরাপদ আশ্রয়স্থলে পরিণত …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

four + eighteen =