ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

ঈদের আমেজ ছিলোনা আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সবাই যখন পশু কোরবানি করতে ব্যস্ত তখন রাঙামাটির ভয়াবহ পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্থ লোকেরা আশ্রয় কেন্দ্রে বসে হারানো স্বজনের স্মৃতিই যেনো খুঁজে ফিরছিলো। ঈদের দিন সকাল থেকেই রাঙামাটির বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্র ঘুরে ঘুরে দেখা গেছে আড়াইমাস আগের ঈদুল ফিতর এর দিনের ভিন্নচিত্র ! এবার তেমন কেউ নেই পাশে, নেই নতুন জামাকাপড়। শুধু জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ছিলো ঈদে উন্নত খাবারের আয়োজন।
শনিবার সারা দেশে পালিত হলো ইসলাম ধর্মের বড় দুইটি উৎসবের মধ্যে অন্যতম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এদিন সরেজমিনে রাঙামাটির ভয়াবহ পাহাড় ধসের পরে ক্ষতিগ্রস্থ লোকদের অবস্থান করা আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে গিয়ে দেখা যায় স্বজন ও সর্বস্বহারা মানুষগুলোর আহাজারি।

সে ভয়াবহ দৃশ্যের কথা মনে করে আজো কাঁদছে স্বজনেরা । আর যারা আহত হয়েছে তাদের চোখে যেনো ভেসে উঠছে সে দিনকার ভয়াবহতা।

আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা জরিনা খাতুন বলেন, আমি আজ দীর্ঘ দিন ধরে এই আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করছি। আমার ঘড়-বাড়ি সব কিছুই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, আমার আর কোন কিছুই নেই। স্বামী মাটি চাপা পরে আহত হয়েছে, তিনি এখন আর কাজ করার অবস্থায় নেই।

তিনি আরো বলেন, ঈদে তেমন কোন আনন্দ নেই আমাদের মাঝে। সব কিছু হারিয়ে আজ আমরা আনন্দহীন হয়ে পড়েছি।

একই আশ্রয় কেন্দ্রে থাকা জামাল আহমেদ বলেন, ‘বাপজান পাহাড়ে আমগো বাড়ি-ঘড় হক্কল ভাঙ্গা দিছে, এখন সরকারে দিলে খায় আর সরকার যেখানে থাকতে দিছে সেখানে থাকি’। তিনি আরো বলেন, ‘আমার বড় পোলাটা পাহাড় ধসে মাটি চাপা পইরা মারা গেছে, হে পোলাটারে মনে পরে গো, ঈদের আনন্দ কাইরা নিছে এই পাহাড়ে’।

ঈদে প্রশাসনের ব্যবস্থা
রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের জন্য উন্নত মানের খাদ্যের ব্যবস্থা করা হয়েছিলো। এর মধ্যে গরু ও মুরগির মাংস এবং পোলাও ভাত, এছাড়া সকালে সেমাইও দেওয়া হয়েছিলো তাদের মাঝে।

রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মানজারুল মান্নান ঈদের দিন সকালে আশ্রয় কেন্দ্র গুলো পরিদর্শন করেন এবং তাদের সাথে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ঈদ আনন্দ নেই ছোটদের মাঝে
আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান করা ছোট বাচ্চাদের মাঝেও নেই ঈদের আনন্দ। তাদের মাঝে দেখা যায় গভীর হতাশা।

তেমনি একজন রাসেল, তার সাথে কথা বলে সে জানান, মা কাজ করতে মানুষের বাসায় গিয়েছে। এখানে তার ভালো লাগে না, কারণ তার কোন বন্ধু নেই এখানে।

সে আরো বলে, ঈদে নতুন কাপড় পরতে পারি নাই, কোথাও ঘুরতে যেতে পারি নাই, বন্ধুও নেই যে খেলবো। মা কাজে গেছে আমি একাই এখানে বসে আছি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

ি কমেন্ট

  1. In CHT Rangamati, during the last flood,all fishes were washed away from Kaptai Lake because all 16 sluice gates of Kaptai Dam were widely open for a long time & fishes like new water. So Govt, NGOs, CHT Authority, Rangamati DC, Fishing Ministry, Chakma Raja & local fisheries all together should introduce carps & all kinds of indigenous species of fishes in Kaptai Lake for the next fishing season & Bangladesh Economy.

  2. All over Bangladesh, Due to last flood in this heavy rain, our trees are badly damaged & fishes are washed away .During the long eid holiday, in this rainy season we all should go to our home district & plant trees & introduce carps & local district base fishes both in home & public places & punlic water bodies as lakes to develop your home district in future for your children.

Leave a Reply

Back to top button
%d bloggers like this: