নীড় পাতা / ব্রেকিং / আয় বেড়েছে ঊষাতনের

হলফনামায় দেয়া তথ্যে

আয় বেড়েছে ঊষাতনের

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনসংহতি সমিতির সমর্থনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেয়া ঊষাতন তালুকদার ২০১৪ সালে হেভিওয়েট প্রার্থী দীপংকর তালুকদারকে পরাজিত করে বিজয়ী হয়েছিলেন। সেই সময় নির্বাচনের প্রাক্কালে তিনি নির্বাচন কমিশনে সম্পদের যে হিসাব দিয়েছেন এবং এবার একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জমা দেয়া তার হিসাব পর্যালোচনা করা দেখা গেছে, গত ৫ বছরে শুধু তারই নয়, সম্পদ বেড়েছে তার স্ত্রীরও।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফ নামার তথ্য অনুযায়ী কৃষি খাতে আয় ছিল ২ লক্ষ টাকা, ব্যবসায় আয় ছিল ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, আঞ্চলিক পরিষদে থাকাকালীন সম্মানী ভাতা ২ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা।

নগদ অর্থ নিজের ছিলো ৫ লক্ষ টাকা, স্ত্রীর ৫০ হাজার টাকা এবং পরিবারের ইনকাম ছিলো ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকে জমা ৬ হাজার ২০৫ টাকা, স্বর্ণ ৫ ভরি। বাসায় ব্যবহারের জিনিসপত্রের মধ্যে ফ্রিজ ১টি যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা, টিভি ১টি যার মূল্য ১৫ হাজার টাকা, খাট ৩টি যার মূল্য ৬০ হাজার টাকা, সোফাসেট ২টি যার মূল্য ৩০ হাজার টাকা, ডাইনিং টেবিল ১টি যার মূল্য ২০ হাজার টাকা, সোকেজ ১টি যার মূল্য ১৫ হাজার টাকা, ওয়াড্রফ ১টি যার মূল্য ১৫ হাজার টাকা।

কৃষি জমি নিজের ১০ একর যার বাজার মূল্য ধরা হয়েছিল ১ লক্ষ টাকা এবং স্ত্রীর ৯ একর যার বাজার মূল্য ধরা হয়েছিল ৩ লক্ষ টাকা। রাঙ্গাপানিতে একটি দোকাল প্লটের মূল্য নির্ধারন করা হয় ৮ লক্ষ টাকা। নিউ কোর্ট বিল্ডিং শাখা থেকে ভোগ্যপণ্য ঋণ নেয়া হয় ২ লক্ষ টাকা যা ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এখনো ব্যাংক ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭০৮ টাকা পায়।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হলফ নামার তথ্য অনুযায়ী কৃষি খাতে আয় ৪ লক্ষ টাকা, যা আগে ছিল ২ লক্ষ টাকা। ব্যবসায় আয় ৬ লক্ষ টাকা, যা আগে ছিল ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং নতুন করে পারিবারিক ব্যবসা থেকে আয় হয় ৩ লক্ষ টাকা। সংসদ সদস্য থেকে আয় ২৬ লক্ষ ২৯ হাজার ২০ টাকা।

নগদ ৩ লক্ষ টাকা, যা আগে ছিল ৫ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে বেড়েছে স্ত্রীর আয়ও। এখন স্ত্রীর আয় দেখানো হয়েছে ১ লক্ষ টাকা, যা আগে ছিল ৫০ হাজার টাকা। ব্যাংকে জমা টাকা ৭ হাজার ১৫৭ টাকা, স্ত্রীর ৫ হাজার ৭৪৪ এবং পারিবারিক হিসাবে ২৬ হাজার৩৪৭ টাকা। স্বর্ণ ৮ ভরি, যা আগে ছিল ৫ ভরি। আসবাবপত্রেও বেড়েছে দ্বিগুন। ফ্রিজ ২টি যার মূল্য ৬৫ হাজার টাকা, টিভি ২টি যার মূল্য ৫৫ হাজার টাকা, ওয়াল মেড ১টি যার মূল্য ৩৮ হাজার টাকা, ল্যাপটপ ৩টি যার মূল্য ১ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা, বঙ্ঘাট ৩টি যার মূল্য ৭০ হাজার টাকা, সোফাসেট ২টি যার মূল্য ৭০ হাজার টাকা, ওয়ার্ডড্রব ৩টি যার মূল্য ৬০ হাজার টাকা, আলমীরা ২টি যার মূল্য ৬০ হাজার টাকা, ডাইনিং সেট ২টি যার মূল্য ৪০ হাজার টাকা।

কৃষি জমি ও দোকান প্লটের ৫ বছরেও কোন মূল্য বাড়েনি। আগে যা ছিল এখনো তাই হলফনামায় উল্লেখ আছে। সেই সাথে নিউ কোর্ট বিল্ডিং শাখা থেকে ভোগ্যপণ্য ঋণ নেয়া ২ লক্ষ টাকা যা ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে বাকী ১ লক্ষ ৫৪ হাজার ৭০৮ টাকা এবারের হলফ নামায় পরিশোধ দেখানো হয়েছে।

আরো দেখুন

বাঘাইছড়িতে সংঘাতে আহত ১৭

রাঙামাটির দুর্গম বাঘাইছড়ি উপজেলায় আওয়ামীলীগ ও বিএনপির মধ্যে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

4 × 4 =