রাঙামাটি

আশুলিয়ায় মারমা গৃহবধুকে গণধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা

‘হিল উইমেন্স ফেডারেশন’-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি নিরুপা চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক মন্টি চাকমা এক যুগ্ন বিবৃতিতে গত ১৩ আগষ্ট সাভারের আশুলিয়ায় ডেন্ডাবরে নতুন পাড়া এলকায় স্বামীকে আটকে রেখে মারমা সম্প্রদায়ের এক পাহাড়ি নারীকে জোরপূর্বক গণধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষকদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ সারাদেশে নারী ও শিশুরা এক বিভীষিকাময় দিন পার করছে। ধর্ষণের ক্ষেত্রে বিচারহীনতার সবচেয়ে বড় শিকার বাক-শ্রবণ ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, দলিত, চা-শ্রমিক ও দরিদ্রসহ সকল প্রান্তিক নারীরা। বিচারহীনতা সংস্কৃতি ও বিচারের দীর্ঘসূত্রতার কারণে নারী ও শিশুদের উপর এই ঘৃণ্য পাশবিক নির্যাতন দিন দিন বেড়ে চলেছে। এছাড়া আজ (১৯ আগষ্ট) ময়মনসিংহ শহরে পদ্মা জেনারেল প্রাইভেট হাসপাতালে গারো সম্প্রদায়ের পাঁচ তরুনী সেবিকার(নার্স) চাকরি নিতে আসলে, হাসপাতালের ব্যবস্থাপক আলম মিয়া তাদের একজনকে পাশের এক কক্ষে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায় বলে ভুক্তভোগী নারী কোতয়ালী থানায় মামলা করেন। বাংলাদেশে জাতিগত নিপীড়নের অংশ হিসেবে ধর্ষনকেও অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে শাসকগোষ্ঠী ব্যবহার করে থাকে। ফলে, এসব নিপীড়ন নৈমিত্তিক ঘটলেও বিচার পাওয়া দূরুহ ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।
বিবৃতিতে আশুলিয়ায় মারমা নারীকে গণধর্ষণকারী নরপশুদের ও ময়মনসিংহে গারো তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টাকারী হাসপাতালে ব্যবস্থাপক আলম মিয়াসহ তার দোসরদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানানো হয়। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (১৩ আগষ্ট) অবৈধভাবে মদ তৈরি অভিযোগের নাটক সাজিয়ে সাভারের আশুলিয়ায় এক মারমা দম্পতির ঘরে ঢুকে তিনজন বখাটে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে স্বামীকে আটকে রেখে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এছাড়া নারীর গলায় থাকা স্বর্ণের চেইনসহ নগদ প্রায় ১০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং ধর্ষণের ঘটনা প্রচার করলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়। এমতাবস্তায় ভিক্তিমের পরিবার প্রাণ ভয়ে দিন কাটাচ্ছে। ( বিজ্ঞপ্তি)

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button