নীড় পাতা / ব্রেকিং / আবার মোটর সাইকেল চুরি বেড়েছে শহরে
parbatyachattagram

সাঁড়াশি অভিযান চান মোটরসাইকেল ব্যবহারকারিরা

আবার মোটর সাইকেল চুরি বেড়েছে শহরে

আবার রাঙামাটি শহর থেকে মোটর সাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার শহরের পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান কার্যালয় চত্বর থেকে টেকসই সামাজিক সেবা প্রদান প্রকল্পের কর্মসূচী সমন্বয়ক জসীমউদ্দীনের ব্যবহার করা অফিসিয়াল মোটর সাইকেলটি চুরি হয়। এই ব্যাপারে রাঙামাটির কোতয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

জসীমউদ্দীন জানিয়েছেন, প্রতিদিনের মতো রবিবার সকালেও যথাসময়ে অফিসে আসেন তিনি এবং মোটরসাইকেলটি অফিস চত্বরের পার্কিংয়ে রাখেন। দুপুরে খাবারের বিরতির সময় বাসায় যাওয়ার জন্য মোটরসাইকেলের কাছে এসে দেখেন,গাড়ীটি নির্ধারিত স্থানে নেই ! আশেপাশে খোঁজখবর নিয়ে তিনি গাড়ীটির কোন হদিস পাননি। এরপর কোতয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন তিনি।

কোতয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মীর জাহিদ হোসেন রনি জানিয়েছেন, আমরা খবর পেয়ে তাৎক্ষনিকভাবে ওয়ারল্যাসে সর্বত্র জানিয়ে দেই এবং চেকপয়েন্ট বসাই। কিন্তু গাড়ীটির কোন হদিস পাইনি। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ নভেম্বর একই স্থান থেকে আরো একটি মোটর সাইকেল চুরি হয়। সেটিরও কোন খোঁজ মেলেনি আজো। গত ২৫ ডিসেম্বর রাঙামাটি স্টেডিয়াম থেকে আরো একটি মোটর সাইকেল চুরি হয়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, একটি মোটরসাইকেল চোর চক্র দীর্ঘদিন ধরে রাঙামাটি শহরে নিয়মিতভাবে গাড়ী চুরি অব্যাহত রেখেছে। বছর দুয়েক আগে মোটরসাইকেল চুরির বিরুদ্ধে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে এই সিন্ডিকেটের ১১ জন চোর ধরা পড়লে কিছুদিন মোটরসাইকেল চুরি বন্ধ থাকায় স্বস্তিতে ছিলো শহরবাসি। কিন্তু কিছুদিন পর জামিনে বেরিয়ে আসে ওই চোরেরা। আবার শুরু করে মোটরসাইকেল চুরি। এখনো অব্যাহত আছে।
সেইসময় দৈনিক পার্বত্য চট্টগ্রাম-এ একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের পর পত্রিকার সম্পাদকের মোটর সাইকেল পুড়িয়ে দেয়া হয়। একই সময় চোর সিন্ডিকেটের তিনজন সদস্যকে আটক করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে পুলিশের গাড়ী আটকে আসামীদের ছিনিয়ে নেয় জেলা ছাত্রলীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। এনিয়ে সেইসময় শহরজুড়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করে এই ঘটনা।

এদিকে একের পর এক মোটর সাইকেল চুরির ঘটনায় ক্ষুদ্ধ রাঙামাটির মোটর সাইকেল ব্যবহারকারি। রাঙামাটি হিল বাইকার্স’র প্রতিষ্ঠাতা সালাউদ্দিন জুয়েল জানিয়েছেন, মোটর সাইকেল শুধু সখের জিনিসই নয়,অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বাহন। অনেকেই নানান আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মানুষের নিজের প্রয়োজনে যানটি ব্যবহার করে। কিন্তু এভাবে একের পর এক চুরির ঘটনায় আমরা হতাশ। আমি আইনশৃংখলাবাহিনীর কাছে অনুরোধ করছি,সাঁড়াশি অভিযানের মাধ্যমে গাড়ীচোর সিন্ডিকেটটি গ্রেফতার করে শহরবাসিকে স্বস্তিতে রাখার।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

প্রশিক্ষিত শিক্ষকের অভাবে ব্যাহত হচ্ছে মাতৃভাষায় পাঠদান

২০১৭ সাল থেকে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিশুদের হাতে মাতৃভাষার বই দেয়া হলেও এখনো …

Leave a Reply