খাগড়াছড়িপাহাড়ের অর্থনীতিব্রেকিং

আন্তর্জাতিক মৈত্রী সেতু এখন বিনোদন কেন্দ্র

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সেতু এখন শুধুই উদ্বোধনের অপেক্ষায়। বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ নামে পরিচিত সেতুটির নির্মান কাজ শেষ হতেই বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সীমান্তবর্তী রামগড়ে অবস্থিত এই সেতু দেখতে প্রতিদিন শতশত উৎসুক মানুষ ভিড় করছেন। দুর দুরান্ত থেকেও আসছেন স্থানীয় পর্যটকরা। এমনকি খাগড়াছড়িতে বেড়াতে আসা পর্যটকরা সেতুর বাংলাদেশ অংশে বেড়াতে ভুল করেন না।
এখানে পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম স্থল বন্দর নির্মানের অংশ হিসেবে ভারত সরকারের অর্থায়নে সেতুটি নির্মিত হয়েছে।
ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্যসহ সেভেন সিস্টার খ্যাত ভারতের বেশ কিছু অঞ্চলের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ‘রামগড় স্থলবন্দর’ চালুর উদ্যোগ অনেক পুরনো। তার অংশ হিসেবে বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সেতু ‘ভারত-বাংলাদেশ’ মৈত্রীসেতু নির্মান কাজ ৩ বছরের মাথায় শেষ হয়েছে।
এরআগে ২০১৫ সালের ৬ জুন উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১ এর ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন করার মধ্য দিয়ে বহুল কাংখিত স্থলবন্দর চালুর স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন উভয় দেশের জনগণ। ২০১৭ সালের ২৭ অক্টোবর সেতুর কাজ শুরু হয়েছিল। ৪১২ মিটার দৈর্ঘ এবং ১৪.৮০ মিটার প্রস্থের সেতু নির্মানে ভারত সরকার ৮২.৫৭ কোটি রুপি ব্যয় করছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরে উভয়দেশের প্রধানমন্ত্রী মৈত্রী সেতুটির উদ্বোধন করতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি খাগড়াছড়ির পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মংসুইপ্রু চৌধুরী অপু এই সেতুটি পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনকালে তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু’ নির্মিত হওয়ার মাধ্যমে উভয় ভ্রাতৃপ্রতিম দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে। এজন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারত সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

 

 

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ten − 8 =

Back to top button