নীড় পাতা / পাহাড়ের সংবাদ / খাগড়াছড়ি / আগের উৎপাদন রেকর্ডও ছাড়াবে পাহাড়ের আম্রপালি
parbatyachattagram

আগের উৎপাদন রেকর্ডও ছাড়াবে পাহাড়ের আম্রপালি

পাহাড়ের আমের খ্যাতি সারাদেশে। দিনে দিনে জনপ্রিয়তা বাড়ছে সুস্বাদু বিষ ও ফরমালিনবিহনী আম্রপালি, রাঙ্গুইসহ নানা জাতের আম। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। দিনে দিনে বাড়ছে আম্রপালির উৎপাদন। আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে আমের ফলন বিগত বছরগুলোকে ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারনা কৃষি বিভাগের।
কৃষি বিভাগের কাছে বারি আম-৩ নামে পরিচিত। যে আম কিনা সবার কাছে আম্রপালি নামেই চেনে। এই আমের খ্যাতি পাহাড় ছাড়িয়ে দেশজুড়ে সমাদৃত হয়েছে। পাহাড় ছাড়িয়ে এই আমের খ্যাতি এখন দেশজুড়ে। বানিজ্যিকভাবে সম্ভাবনা দেখা দেয়ায় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে খাগড়াছড়িসহ পাহাড়ি তিন জেলায় বিস্তৃত এলাকায় এই আমের বাগান গড়ে উঠেছে। উৎপাদনও হচ্ছে ব্যাপকহারে।
তবে, আমে ক্ষতিকর রাসায়নিক মেশানোর খবরে দেশব্যাপী আতংক থাকলেও খাগড়াছড়ির আমের রয়েছে সুখ্যাতি। এই বিষয়ে সতর্ক খাগড়াছড়ির আম বাগানীরা। অন্যদিকে আম বাগানে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হওয়ায় শিল্প পাহাড়ের বহু বেকার নারী-পুরুষের মনে আনন্দ।
খাগড়াছড়ির সাতভাইয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা সুইনুপ্রু মারমা, অংগ মারমা বলেন, ‘আগে কাজের অভাবে বেকার থাকলেও এখন আমাদের এলাকায় অনেকের আম বাগান আছে। সারা বছর বাগানের পরিচর্যায় কাজ করি। মৌসুমে যখন বেশি লোক লাগে তখন ঘরের অন্য সদস্যরাও কাজ করে। এতে সংসার ভালোই চলছে।
আমচাষী বিপীন চাকমা, অনিমেষ দেওয়ান ও আব্দুল কাদের বলেন, দেশের বাইরে এখানকার বিষমুক্ত আমের ব্যাপক চাহিদা থাকায় ভালো দাম পাওয়া যাচ্ছে। আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় এবার ফলও ভালো হয়েছে।
কৃষি বিভাগ বলছে, এবার খাগড়াছড়িতে ৩ হাজার ১ শ ৫০ হেক্টর জায়গাতে আমের চাষ হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে জেলার পাহাড়ি উঁচু জমিতে উন্নত জাতের আম্রপালি আমের পাশাপাশি রাংগুয়া, বারি-৪, হীম সাগর, রতœা, মল্লি¬কা, গোপালভোগসহ বিভিন্ন জাতের আমের চাষ হচ্ছে। এদিকে গত বছরের তুলনায় এবার প্রাায় ২শ ২০ হেক্টর বেশি জমিতে আম চাষ হয়েছে। গত বছর হেক্টর প্রতি ৮ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে। এবার প্রায় আশি কোটি টাকা মূল্যের আম বেচাকেনা হতে পারে বলেও জানান তাঁরা।
খাগড়াছড়ির কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক মো: মর্তুজা আলী বলেন, পাহাড়ের মাটি ও আবহাওয়া আমচাষের অনুকুল হওয়ায় দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে আ¤্রপালিসহ বিভিন্ন জাতের আম বাগান। মাটির উর্বরতার কারণে দেশের যেকোন প্রান্তের আম এখানে চাষ সম্ভব বলেও জানান তিনি।
তবে স্থানীয়রা বলছে বাজার ব্যবস্থাপনার সুযোগ থাকলে এই খাত থেকে আরো বেশি লাভবান হওয়ার পাশাপাশি আমচাষীর সংখ্যাও বাড়তো বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

বৃষ কেতু চাকমাকে হত্যার হুমকি !

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমাকে …

Leave a Reply