বান্দরবানব্রেকিং

আওয়ামী লীগ নেতা চথোয়াই মং মারমা হত্যায় গ্রেফতার আরও ২

বান্দরবানে আওয়ামী লীগ নেতা চথোয়াই মং মারমা হত্যাকান্ডের ঘটনায় জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) নেতা বাচিমং’সহ আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে নিহতের স্মরণে শোকসভা করেছে আওয়ামীলীগ। সোমবার সদর উপজেলা থেকে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করেছে।

স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামীলীগের পৌর কমিটির সহ-সভাপতি চথোয়াই মং মারমা’কে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় রোববার নিহতের স্ত্রী মেসাচিং মারমা বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। ঐ মামলায় পাহাড়ের আঞ্চলিক রাজনৈতিক সংগঠন জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) ১৩ জন শীর্ষনেতাসহ অজ্ঞাত আরও ১৫ জনকে আসামি করা হয়। পুলিশ হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে অভিযুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে আরও ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এদের মধ্যে বাচিং মং এজাহারভুক্ত আসামি। অন্যজনের নাম জানা যায়নি।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী জানান, নিহতের স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিসহ আরও দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তালিকাভূক্ত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এ প্রসঙ্গে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদার জানান, ‘যারা এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। দোষী ব্যক্তিদের আটক করার জন্য অভিযান চলমান রয়েছে; তাদেরকে আটক করার জন্য গোয়েন্দা বিভাগ তৎপর রয়েছে।’

এদিকে নিহত আওয়ামীলীগ নেতার স্মরণে জেলা দলীয় কার্যালয়ে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ইসলাম বেবী বলেন, আওয়ামীলীগ পাহাড়ে শান্তি চাই। কিন্তু জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) একটি গোষ্ঠী পাহাড়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করতে উঠে বসে লেগেছে। ভোটের মাঠে পরাজিত হয়ে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের হত্যা করা হচ্ছে। জনসংহতি সমিতি এ হত্যাকান্ডের জন্য দায়ী। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি একেএম জাহাঙ্গীর, যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক লক্ষীপদ দাসসহ আরও অনেকেই বক্তব্য রাখেন।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button