নীড় পাতা / পাহাড়ের রাজনীতি / অস্ত্র সকল সমস্যার সমাধান নয়
parbatyachattagram

কাউখালীতে ছাত্রলীগের সম্মেলনে-দীপংকর তালুকদার এমপি

অস্ত্র সকল সমস্যার সমাধান নয়

যারা আমাদের অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়েছে, যারা অবৈধ অস্ত্র দিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করেছে, তাদের আমরা অস্ত্র দিয়ে মোকাবেলা করি নাই, আমরা রাজনীতির জবাব রাজনীতি দিয়ে দিয়েছি। তবে অস্ত্র সকল সমস্যার সমাধান নয়। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে হবে। তারা মনে করে বন্দুকই সকল ক্ষমতার উৎস। আর আমরা বঙ্গবন্ধুর অনুসারী যারা তারা মনে করি বন্দুক নয় জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। কাউখালীতে মঙ্গলবার বিকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা ছাত্রলীগের বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য ২৯৯ রাঙামাটি পার্বত্য আসনের সাংসদ দীপংকর তালুকদার এমপি এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, আমরা জনগণের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। আওয়ামীলীগ যাতে ক্ষমতায় আসতে না পারে সে জন্য আওয়ামীলীগকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যা করে। তারা চেয়েছিলো আওয়ামীলীগ যেন আর দাঁড়াতে না পারে। কিন্তু তাদের ধারণা মিথ্যা প্রামাণিত করে বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২১ বছর পর ১৯৯৬ সালে আমরা সরকার গঠন করি। সরকার গঠন করার পরেই আমার নেত্রীর অন্যতম প্রধান কাজ হল পার্বত্য চট্টগ্রামের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের অবসান ঘটানো। এখানে অস্ত্রের ঝনঝনানি থামানো এবং প্রত্যেকটা সম্প্রদায়ের মানুষের যাতে শান্তিতে বসবাস করতে পারে সেই ব্যবস্থা করা করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার নির্দেশের ফলেই ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তি চুক্তি করা হয়। যারা আমাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিলো তাড়াই ১৯৯৮ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আমাদের কাছে অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। এখন যারা অধিকার সংগ্রামের নামে আমাদের নেতাকর্মীদের গুলি করে হত্যা করছে তাদেরও অনতিবিলম্বে অবৈধ অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসতে হবে। কাজেই আমাদের হতাশ হওয়ার কোন কারণ নাই। যারা মনে করেছে পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনীতি বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে আলাদা। জাতীয় রাজনীতির মুল ¯্রােত পার্বত্য চট্টগ্রামে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না আজকে তারাই স্বীকার করছে এই পার্বত্য চট্টগ্রামে যা কিছু মঙ্গল, কল্যাণ কর যা কিছু উন্নয়ন হয়েছে সবই আওয়ামীলীগ সরকার করেছ। শেখ হাসিনা যদি না থাকতো পার্বত্য চট্টগ্রামে এত উন্নয়ন হতোনা। শেখ হাসিনা আছে পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়ন হয়েছে, শেখ হাসিনা আছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রদাকি সম্প্রীতি আছে, শেখ হাসিনা আছে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে পক্রিয়া চলমান থাকবে।

কাউখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতুমং মারমা এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল জব্বার সুজন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- রাঙামাটি জেলা আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি চিংকিউ রোয়াজা, অংচাপ্রু মারমা, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অংসুইপ্রু চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক এরশাদ সরকার, যুগ্ন সম্পাদক বেলাল উদ্দিন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সামশু দোহা চৌধুরী, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম চৌধুরী, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ চাকমাসহ আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

Micro Web Technology

আরো দেখুন

আন্তরিকতাই দু’ভাইয়ের ব্যবসায়ের বড় পুঁজি

রাঙামাটি শহরের প্রাণকেন্দ্র রিজার্ভ বাজারে আবাহনী ক্লাবের সামনেই ‘প্রতিদিন সেলুন’ এর মালিক এবং নরসুন্দর কারিগর …

Leave a Reply