ব্রেকিংরাঙামাটিলিড

অনুপস্থিত কর্মকর্তাদের বৃষ কেতুর হুশিয়ারি!

রাঙামাটিতে জেলা উন্নয়ন কমিটির মাসিক সভায় যে সমস্ত কর্মকর্তা অনুপস্থিত থাকে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভায় উত্থাপন করা হবে বলে সবাইকে সতর্ক করেছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমা। তিনি বলেন, ‘জেলার সার্বিক উন্নয়নে এ সভা হলেও কিছু কর্মকর্তা এ সভাকে গুরুত্ব না দিয়ে সভায় উপস্থিত থাকেন না, যা মোটেই কাম্য নয়। সরকার আমাদের নিয়োগ দিয়েছেন জনকল্যাণের স্বার্থে। তাই সকলের সাথে সমন্বয় রেখে জনস্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে।’

সভায় জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, অন্যান্য জেলার চাইতে পার্বত্য তিন জেলার সামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ভিন্ন। এখানে কোনও ঘটনা হলে কিছু মহল সাম্প্রদায়িক ঘটনা বলে উস্কানি দিয়ে থাকে। এসব ঘটনাকে দৃষ্টিসীমার মধ্যে রেখে সমাধান করতে বড় ভূমিকা রাখে প্রশাসন। কিন্তু এ সভায় সঠিকভাবে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকে না। যা খুবই উদ্বেগ জনক।

বুধবার সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত জেলা উন্নয়ন কমিটির মাসিক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদ’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদসহ জেলার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, গত ১৮মার্চ বাঘাইছড়িতে উপজেলা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন শেষে ফেরার পথে প্রিসাইডিং ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের ওপর যেভাবে দুর্বৃত্তরা গুলিবর্ষণ করে হত্যা ও গুরুতর আহত করে এটি কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। আমি নারকীয় এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।

সভায় রাঙামাটি সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সান্তনু চাকমা জানান, ‘কলেজের ছাত্রী হোস্টেলে বেসরকারিভাবে ১০জন কর্মচারী নিয়োগ করা হবে। এটি চালু হলে জেলার দূর-দূরান্ত থেকে আসা শিক্ষার্থীরা এখানে থেকে পড়ালেখা করার সুযোগ পাবে। তিনি বলেন, বহিরাগতদের প্রবেশ ঠেকাতে ও কলেজের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কলেজে পুলিশ ফোর্স বাড়ানো উচিত। এতে করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকবে।’

বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মোসাররফ হোসেন মিরাজ জানান, ‘আসন্ন বর্ষা মৌসুমে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুতের ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলা করতে বিদ্যুৎ বিভাগ সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।’

সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী শংকর চন্দ্র পাল জানান, রাঙামাটি-চট্টগ্রাম সড়ক উন্নয়নে কাজ চলছে। এছাড়া ভূমিধসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে কাজ শুরু করা হবে।’ সভায় উপস্থিত অন্যান্য বিভাগীয় কর্মকর্তাগণ স্ব স্ব বিভাগের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button