রাঙামাটি

‘অনটেস্ট’ বিড়ম্বনায় নাভিশ্বাস রাঙামাটিবাসির

সুহৃদ সুপান্থ
রাঙামাটি শহরের জিরোমাইলে অবস্থিত থেকে ডিসি বাংলো থেকে শহরের প্রবেশমুখ মানিকছড়ি,দুরত্ব মাত্র ১০ কিলোমিটার। একটাই প্রধান সড়ক। পাড়া মহল্লার অলিগলি আর রাঙাপানি-আসামবস্তি সড়ক ছাড়া আর কোন বিকল্প পথও নেই। অথচ এই সামান্য পথটিতেই চলে শহরবাসির একমাত্র পরিবহন অটোরিক্সার অন্তত দেড় হাজার গাড়ী ! অবিশ^াস্য হলেও সত্য, এসব গাড়ির বেশিরভাগেরই নেই রেজিস্ট্রেশন কিংবা কোন নাম্বারপ্লেট। যদিও অটোরিক্সা চালক সমিতি এবং মালিক সমিতির দাবি,এই শহরে চলাচলকারি গাড়ির মাত্র ৬৪০ থেকে ৭০০টির রেজিস্ট্রেশন কিংবা চলাচলের অনুমতি আছে। তার মানে বাকি প্রায় হাজারখানেক গাড়ির সবই অবৈধ !

কিভাবে চলছে এসব গাড়ি ?
রাঙামাটি শহরে বসবাসকারি মানুষের চলাচলের একমাত্র বাহন অটোরিক্সা। এখানে শহরের যে প্রান্তেই যান ভাড়া নির্ধারিতই। সংগঠন হিসেবেও চালক সমিতি বেশ শক্তিশালী ও সুসংগঠিত। রাঙামাটি অটোরিক্সা চালক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের অধীনে প্রায় ছয়শত চল্লিশটি গাড়ি নিবন্ধিত,যারা শহরে চলাচল করছে দীর্ঘদিন ধরে। আবার সমিতির নিবন্ধিত চালকের সংখ্যা প্রায় হাজারখানেক। ছোট শহরে এই পরিমাণ গাড়িই যথেষ্ট বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ফলে প্রায় বছর সাতেক ধরেই বন্ধ নতুন গাড়ির রেজিস্ট্রেশন দেয়া। কিন্তু বছর বছর ‘অনটেস্ট’ গাড়ির সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়লেও ট্রাফিক বিভাগ ও বিআরটিসি’র চাপে সেইসব গাড়ি চলাচল করে খুব একটা সুবিধা করতে পারত না। চালকদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বছর দুয়েক আগে কিছু গাড়ি নিবন্ধনের সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু অটোরিক্সা চালক সমিতির কিছু নেতা এই সুযোগে জেলা প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে বাড়তি টাকা আদায় করার ঘটনা জানা গেলে ক্ষুদ্ধ হন তৎকালিন জেলা প্রশাসন। তিনি চালক সমিতির নেতাদের ডেকে নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান এবং নিবন্ধন দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। ফলে বিপাকে পরে যান বেশ কিছু চালক। এনিয়ে নানান টানাপোড়েনের জেরে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও অনটেস্ট গাড়ীর বিরুদ্ধে আর কোন শক্ত অবস্থান না নেয়ার সুযোগ নেয়া শুরু করে অনেকেই। মাত্র দুই বছরেই অনটেস্ট গাড়ির সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে প্রায় হাজারখানেক গাড়ি যোগ হয় অনটেস্ট বহরে।

অনটেস্টে সয়লাব শহর
প্রশাসনিক নির্লিপ্ততার সুযোগে রাঙামাটি শহরজুড়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রায় এক হাজার অনটেস্ট অটোরিক্সা। যাদের সবগুলোই যে নতুন, এমন নয়। চট্টগ্রাম কিংবা আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা থেকে আনা পুরনো গাড়িও রঙ করে অনটেস্ট হিসেবে চালানো হচ্ছে শহরে। ট্রাফিক বিভাগ এবং প্রশাসনের নমনীয়তার সুযোগে অটোরিক্সা চালক সমিতির নেতারাও অনেকে বেশ কয়েকটি করে নতুন গাড়ি নামিয়েছেন,শহরের অজ¯্র পরিবার নিজেরাই নামিয়েছেন একটি বা একাধিক অটোরিক্সা। ফলে নাম্বারহীন গাড়িতে সয়লাব হয়ে গেছে শহর। এসব গাড়ির যেমন কোন নাম্বার নেই,তেমনি চালকদেরও নেই ড্রাইভিং লাইসেন্স। ঠেলাগাড়ি চালক,দিনমজুর,রংমিস্ত্রি কিংবা অন্য পেশার মানুষ হুট করেই নেমে পড়েছে অটোরিক্সা চালনায়,যাদের বেশিরভাগেরই নেই গাড়ি চালনার প্রশিক্ষন,এমনকি তারা চালক সমিতিরও সদস্য নন।

নিবন্ধন চান অনটেস্ট গাড়ির চালকরা
দীর্ঘদিন ধরে নানান জটিলতায় নিবন্ধন পাচ্ছেন না নতুন গাড়ির মালিক চালকরা। তাদের দাবি প্রতিবছর নিয়ম মেনে কিছু কিছু গাড়ি নিবন্ধন দেয়া উচিত এবং পুরনো গাড়ি সড়ক থেকে তুলে নিয়ে নতুন গাড়ি নামাতে দেয়া উচিত। অনটেস্ট গাড়ীর চালিক আব্দুল আলী বলেন-‘ আমি ঋনের টাকা নিয়ে গাড়ি কিনে রাস্তায় নেমেছি, এখন আমার গাড়িকে নিবন্ধন দেয়া হচ্ছে না, আমিতো নিবন্ধন চাই, কিন্তু নিবন্ধন না দেয়ার দায় কেনো আমাকে নিতে হবে ? আমিতো অবৈধ গাড়ি চালাতে চাইতেছি না।’ আব্দুল আলীর মতো বক্তব্য আরো অনেকের। তবে তারাও বলছেন,‘গণহারে নয়,কিছু গাড়িকে নিয়ম মেনে নিয়মিত নিবন্ধন দেয়া যেতে পারে।’

অনটেস্ট গাড়ি নিয়ে বিপাকে চালক মালিকরা
শহরে নিবন্ধিত ৬৪০ টি গাড়ির পাশাপাশি আরো প্রায় হাজারখানেক অনটেস্ট গাড়ির কারণে বিপাকে পড়েছেন নিবন্ধিতত চালক ও মালিকরাও। চালকদের আয় কমে গেছে,দৈনিক জমা তুলতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। মালিকরাও আছেন বিপাকে,যে সে গাড়ি নিয়ে নেমে পড়ায় তৈরি হচ্ছে বিশৃংখলা। নাম্বারহীন গাড়িগুলোর চালকরা কোন অনিয়ম বা অপকর্ম করলেও তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা যাচ্ছেনা গাড়ীর নাম্বার না থাকায় এবং চালকরা সমিতির সদস্য না হওয়ায়। আবার নতুন এইসব চালকরা সমিতির নিয়মকানুনও মানছেন না। কিন্তু তারা সমিতির সদস্য না হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে কিছু করারও থাকছেনা সমিতির। ক্ষেত্রবিশেষে চালক সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সমিতির কোন কোন নেতার আশ্রয়প্রশ্রয়ে এইসব চালকদের দেয়া হচ্ছে সমিতির সদস্যপদও।

ক্ষুদ্ধ মালিক শ্রমিকরা
রাঙামাটি অটোরিক্সা মালিক সমিতি সম্প্রতি এক জরুরী সভায়, অনটেস্ট গাড়ির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে,নম্বরহীন এসব গাড়ি চলাচল বন্ধ ন করলে তারা আন্দোলন গড়ে তুলবে। সম্প্রতি সংগঠনটির এক জরুরী সভা সভাপতি হাজী কাশেম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বক্তব্য রাখেন মহিউদ্দিন পিয়ারু,আলীবাবর,রিনেল চাকমাসহ সংগঠনের নেতারা।

অটোরিক্সা মালিক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন পিয়ারু বলেন-‘আমরা সরকারের সব আইনকানুন মেনে,ফি জমা দিয়ে রাস্তায় গাড়ি চালাব আর অন্যরা কোন কিছু না করেই যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে গাড়ি নামিয়ে ফেলবে,এটাতো চলতে পারেনা। অনটেস্ট এসব গাড়ির কারণে আমরা নিবন্ধিত গাড়ির মালিকটা কষ্ট পাচ্ছি, আমাদের চালকরা দিনের বেতন ও জমা তুলতে পারছেনা। আমাদের অনেক গাড়ির মালিক গাড়ি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছে। এইভাবে একটি শহরের পরিবহন ব্যবস্থা চলতে পারেনা।’

রাঙামাটি অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি পরেশ মজুমদার বলেন, আমাদের সমিতিতে নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে ছয়শত গাড়ি আছে। এর পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে চলছে এমন শদুয়েক গাড়িকে নিবন্ধন দেয়া যেতে পারে। কিন্তু যেভাবে মগেরমুল্লুক এর মতো ফ্রিস্টাইলে অনটেস্ট গাড়ি শহর দাপিয়ে বেড়াচ্ছে,এটা বন্ধ করতে হবে। এইসব গাড়ির কারণে সমিতিকেও অনেক ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। আবার আমাদের চালক ভায়েরাও কষ্ট পাচ্ছেন,আয় কমে গেছে। কিছু গাড়ি নিবন্ধন দিয়ে বাকি অবৈধ গাড়িগুলো বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছি আমি।’

অটোরিক্সা শ্রমিকদের নেতা সাবেক পৌর কাউন্সিলর মিজানুর রহমান বাবু বলেন-‘অনটেস্ট গাড়ির কারণে আমাদের চালক ভাইয়ের অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করছে। কিছু গাড়ি,যেগুলো অনেকদিন ধরে চলছে এবং রেজিস্ট্রেশন এর জন্য অপেক্ষা করছে,সেগুলোকে রেজিস্ট্রেশন দিয়ে শহরে চলাচল করা অবৈধ অনটেস্ট গাড়িগুলো বন্ধ করতে হবে। বর্তমান সমিতির কোন কোন নেতা এসব অবৈধ গাড়ি চলাচলের পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে এবং নিজেরাও অনেক গাড়ি নামিয়েছে। চালকদের স্বার্থবিরোধী এসব কর্মকান্ড শ্রমিকরা প্রতিহত করবে।’

গা-ছাড়া সমিতি
অনটেস্ট গাড়ির কারণে চালকরা নিদারুন কষ্ট ভোগ করলেও এনিয়ে মাধা ব্যাথাই নেই বর্তমান চালক সমিতির। সংগঠনটির সাথে জড়িত কারো কারো বিরুদ্ধে রেজিস্ট্রেশন এর কথা বলে চালকদের কাছ থেকে টাকা তোলা এবং পরে জানাজানি হওয়ার পর তা ফেরত দেয়ার সুস্পষ্ট অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাদের বিরুদ্ধে কোন সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। এই বিষয়ে চালক সমিতির সভাপতি পরেশ মজুমদার বলেন-‘ এই ঘটনার সময় চিকিৎসার জন্য আমি ভারতে ছিলাম,ফেরার পর এসব শুনেছি। কিন্তু কেউ সমিতিতে কোন লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ না দেয়ায় এই বিষয়ে আমাদের কিছু করার ছিলোনা। কে বা কারা এসব করেছে,সেটাও আমি জানিনা।’ তবে বর্তমানে যে হাজারখানেক অনটেস্ট সিএনজি অটোরিক্সা চলছে,তাদের মধ্যে শ’দুয়েককে রেজিস্ট্রেশন দিলে সমিতি আপত্তি করবে না বলে জানান এই নেতা। সেই সাথে অবৈধ অনিবন্ধিত গাড়ি চলাচল বন্ধের দাবিও জানান তিনি।

তবে অটোরিক্সা চালক সমিতির সদস্য নজরুল ইসলাম রাজীব বলেন, সমিতি চালকদের সুখে দুখে পাশে থাকছে না, অথচ ভূয়া গাড়ির চালকদের সমিতির সদস্য পদ দেয়া, গ্রাম গাড়িকে চলাচলের অনুমতি দেয়া ও সহযোগিতা করা, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরও তালবাহানা করাসহ নানাবিধ কারণে আমরা সাধারন চালকরা বর্তমান নেতৃবৃন্দের প্রতি অসন্তুষ্ট। সাধারন সভায় গৃহীত পদক্ষেপগুলোও বাস্তবায়িত হচ্ছেনা। নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে চালকদের পছন্দের প্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করার দাবি জানাচ্ছি আমরা।’ রাজীব দাবি করেন,নির্বাচন হবে অটোরিক্সা শ্রমিক ইউনিয়নের,অথচ কল্যাণ সমিতির বকেয়া টাকা না দিলে ভোট দিতে পারবেনা বলে শর্তারোপ করা হচ্ছে,এটা দুঃখজনক। একই সাথে সাধারন সভার পরও সদস্য ভর্তি অব্যাহত রাখায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন রাজীব। তিনি একইসাথে বলেন, আমাদের কিছু চালক ঋন করে, কষ্ট করে কিছু গাড়ি এনে চালাচ্ছে বেশ কিছুদিন ধরে, তাদের রেজিস্ট্রেশন দেয়া দরকার।

জানা গেছে, রাঙামাটি শহরে চলাচলকারি অটোরিক্সার চালকরা দৈনিক ১০ টাকা,মাসে ৪০ টাকা করে চাঁদা প্রদান করে সমিতিকে। সমিতির যে চালকরা অনটেস্ট গাড়ি চালাচ্ছে তারাও এই হারে টাকা প্রদান করে থাকে। এই টাকায় সমিতির সদস্যদের আপদকালে সহযোগিতা করা হয়ে থাকে।

কি বলছেন যাত্রী ও নাগরিক সমাজ
রাঙামাটি যাত্রী কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি কামালউদ্দিন । তিনি বলেন- ‘একটা শহরে ঠিক যে পরিমাণ অটোরিক্সা থাকা উচিত সেই পরিমাণই গাড়িই চলাচলের অনুমতি দেয়া হোক। রাঙামাটিতে যে গাড়ি পরিমাণ গাড়ি রেজিস্ট্রেশন আছে,বাস্তবে সেগুলার উপস্থিতি নাই। শহরের মানুষের প্রয়োজন ও বাস্তবতা মাথায় রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গাড়ি যেগুলা চলে,সেগুলা যেনো বৈধভাবেই চলে সেই পদক্ষেপ নিতে হবে।’

রাঙামাটি নাগরিক অধিকার আন্দোলনের সদস্য সচিব জিসান বখতেয়ার বলেন-সড়কে যে গাড়ী চলবে তার অবশ্যই বৈধতা থাকতে হবে। কিন্তু রাঙামাটি শহরে অটোরিক্সা চালক সমিতির কিছু নেতার প্রশ্রয়ে যে অবৈধ গাড়ি চলছে,তাদের কারণে বৈধ গাড়ির চালকরা কষ্ট পাচ্ছে। আবার নাম্বারহীন গাড়িগুলোর কারণে কোন দুর্ঘটনার পর তাৎক্ষণিক শনাক্ত করা যাচ্ছেনা,স্কুলে বাচ্চাদের পাঠালেও গাড়ী নাম্বার জানতে পারছে না। বিষয়টি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এর একটা সুরাহা হওয়া উচিত।

নাম্বারহীন গাড়ি নিয়ে বিপাকে প্রশাসনও
এদিকে শহরে নাম্বারহীন শত শত গাড়ি নিয়ে বিপাকে স্থানীয় প্রশাসনও । কোন অপরাধ সংঘটিত হলে গাড়ির নাম্বার না থাকায় তাৎক্ষনিক কোন পদক্ষেপ নেয়াও কঠিন হয়ে পড়ে।
রাঙামাটির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তাপন রঞ্জন ঘোষ বলছেন, এটা তো সত্যি যে, কোন গাড়ির যদি নাম্বারই না থাকে সেই গাড়িকে তাৎক্ষনিক শনাক্ত করা কঠিন,গাড়ির চালককেও খুঁজে বের করতে কষ্ট হয়। এসব নিয়ে আমাদের কষ্টই পেতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘ যেসব গাড়িগুলো চলছে তাদের মধ্যে যারা নিবন্ধন চাইছেন তাদের নিবন্ধন দেয়া হলে বাকি অবৈধ গাড়ির বিরুদ্ধে আমরা পদক্ষেপ নিতে পারব। এই বিষয়টি দ্রুত সুরাহা হওয়া উচিত। কারণ নাম্বারহীন অবৈধ গাড়ির জন্য আমাদেরও বিপাকে পড়তে হয়।’

রাঙামাটির কোতয়ালি থাকার অফিসার ইনচার্জ কবির হোসেন বলেন, একটা গাড়ির যদি নাম্বারই না থাকে তাকে চিহ্নিতই তো করা সম্ভব নয় ! এই সমস্যাটা আমাদের ভোগায়। এইসব গাড়ির বিষয়ে দ্রুত একটা সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন।’

এই বিষয়ে বিআরটিএ রাঙামাটির দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারি পরিচালক আতিকুর রহমানের মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করেও তার সাথে কথা বলা সম্ভব হয়নি। জানা গেছে, সপ্তাহে একদিন রাঙামাটি অফিসে এসে নিজের উপর অর্পিত বাড়তি দায়িত্ব পালন করেন এই কর্মকর্তা।

সমস্যা সমাধানের আশ্বাস জেলা প্রশাসকের
অটোরিক্সা নম্বরহীন গাড়ি কিংবা অনটেস্ট গাড়ি নিয়ে সৃষ্ট সমস্যা দ্রুতই সমাধানের আশ^াস দিয়ে রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলছেন-‘ আমরা দ্রুতই আরটিএ’র সভায় মিলিত হব,সেখানে আলোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। ইউপি নির্বাচনের পরপরই এই সভা অনুষ্ঠিত হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

এই সংবাদটি দেখুন
Close
Back to top button