রাঙামাটি

অগ্নিদগ্ধ কাহিনী চাকমাকে চিকিৎসা সহায়তা দিলেন জেলাপ্রশাসক

ফেসবুকে পোস্ট দেখে

ইয়াছিন রানা সোহেল
শীতে আগুন পোহাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন লংগদুর আটারকছড়া ইউনিয়নের উল্টাছড়ি গ্রামের জুম চাষী লিটন চাকমার ৭ বছরের শিশু কন্যা কাহিনী চাকমা। দুই সপ্তাহ আগের ঘটনা এটি। হত দরিদ্র পিতার পক্ষে হাসপাতালে নিয়ে মেয়ের চিকিৎসা করানোর সামর্থ নেই। যার কারণে অগ্নিদগ্ধ মেয়ের চিকিৎসা চলে গ্রাম্য কবিরাজের কাছে। অপচিকিৎসার ফল স্বরূপ অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। উপায়ন্তর না দেখে গ্রামের অন্যদের সহযোগিতা ও পরামর্শে বাঘাইছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।

বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরে হাসপাতালে ছুটে আসেন উপজেলার সাংবাদিক ওমর ফারুক সুমন। অপচিকিৎসার কারণে অগ্নিদগ্ধ শিশু কন্যা কাহিনী চাকমার শারীরিক অবনতি আর পিতা লিটন চাকমার অসায়ত্বের বর্ণনা তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করেন। আর সামর্থবানদের কাছ থেকে চিকিৎসা সহায়তা কামনা করেন। পোস্টটি চোখে পড়ে জেলাপ্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদের। তাৎক্ষনিক যোগাযোগ করেন সাংবাদিক সুমনের সাথে। তাকে ডেকে অগ্নিদগ্ধ কাহিনী চাকমার চিকিৎসার জন্য পঁিচশ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসক একেএম মামুনুর রশিদ অগ্নিদগ্ধ কাহিনী চাকমার চিকিৎসা সহায়তার জন্য সকল প্রকার সহযোগিতার আশ^াস দেন।

বাঘাইছড়ি উপজেলার সাংবাদিক ওমর ফারুক সুমন জানান, ‘অগ্নিদগ্ধ কাহিনী চাকমার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যাই এবং তার করুন কাহিনী ফেসবুকে পোস্ট করি। ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই জেলাপ্রশাসন থেকে আমার সাথে যোগাযোগ করা হয় এবং তাৎক্ষনিক চিকিৎসার জন্য জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ পঁিচশ হাজার টাকার চেক তুলে দেন। কাহিনী চাকমার চিকিৎসা সেবাসহ যেকোনো সহযোগিতায় জেলাপ্রশাসন পাশে থাকবে বলে প্রতিশ্রুতিও দেন। এছাড়াও তিনি বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সুদর্শন চাকমা ও ওয়ার্ল্ড বুড্ডিশ এসোসিয়েশনকে কাহিনী চাকমার চিকিৎসা সহায়তায় পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ জানান।

কাহিনী চাকমাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকগণ। তার চিকিৎসার জন্য মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন। কাহিনীর পিতা লিটন চাকমা মেয়ের চিকিৎসায় সমাজের সামর্থবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

MicroWeb Technology Ltd

এই বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Back to top button