রমজানকে ঘিরে রাঙামাটির বাজারের হালচাল

হাতের নাগালেই রয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম


সাইফুল বিন হাসান প্রকাশের সময়: মে 28, 2018

হাতের নাগালেই রয়েছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম

পবিত্র রমজানকে ঘিরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম হাতের নাগালের মধ্যে রয়েছে জানিয়েছেন ক্রেতারা। তবে জিনিস পত্রের দাম আরো কমও হতে পারতো বলছেন অনেকজন। রোববার রাঙামাটি বিভিন্ন বাজার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, রমজানে বিভিন্ন পণ্যের দাম তেমন একটা বেশি নয়। রজমানের শুরুতে পিয়াজের দাম কিছুটা বাড়তি থাকলেও এখন অনেকটা কমে এসেছে।

রাঙামাটি শহরের ভেদভেদী, কলেজ গেইট, বনরূপা, তবলছড়ি ও রিজার্ভ বাজার এলাকার বিভিন্ন দোকান দেখা গেছে, রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মধ্যে চনা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৭৫টাকা, মটর ৪০-৪৫টাকা, আলু ১৮-২০টাকা, খেজুর ১০০ টাকা, খেসারী ৬০-৬৫ টাকা, পিয়াজ ৩০-৩৫ টাকা, রসুন ১০০ টাকা, বেসন ৬০ টাকা।

বাজারে আসা রমজান আলী বলেন, আমি রমজানের শুরুতে পিয়াজ কিনেছি ৪০টাকা করে এখন সে পিয়াজ এর দাম কমে ৩০ টাকা হয়েছে অনেকে আবার আরো কম বিক্রি করছে। এছাড়া অন্য সকল নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম কমই রয়েছে।

তিনি বলেন, রোজা-রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কম থাকলে রোজাদারদের জন্যে ভালো হয়। এছাড়া রাঙামাটির প্রশাসনকে প্রায় দেখা যাচ্ছে বাজার মনিটরিং করছে। এতে করে বিক্রেতারাও বেশি নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না, তাই প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করে তিনি।

আরেক ক্রেতা সাদ্দাম হোসেন জানান, বাজারের অবস্থা বর্তমানে ভালোই রয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম তেমন একটা বেশি না, আশা করা যায় রমজানের শেষ পর্যন্ত বাজারের অবস্থা এমনই থাকবে।

মুদিমাল ব্যবসায়ী অর্জুন দে জানান, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অনেক কম রয়েছে। পিয়াজের দাম রমাজের শুরুতে যা ছিলো এখন এর থেকে অনেকটা কমে গেছে। পিয়াজ মজুদ আছে ভালো, আশা করা যায় তেমন একটা সমস্যা হবে না।

আরোক ব্যবসাযী রহমত মিয়া বলেন, বাজারে বর্তমানে সকল প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অনেক কম। রমজানকে ঘিরে আমরা আগের থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস মজুদ করে রেখেছি। এছাড়াও বর্তমানে সকল দ্রব্য ঠিক সময়ে আসছে। আশাকরি এখন বাজারের যে অবস্থা শেষ পর্যন্ত একই অবস্থা থাকবে।

রাঙামাটির নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারের সার্বিক বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক এ কে এম মামুনুর রশিদ বলেন, ‘নিত্য প্রয়োজনীয় বাজারের দাম বর্তমানে স্বাভাবিক রয়েছে। তবুও আমরা রমজানকে ঘিরে কোনও অসাধু ব্যবসায়ী যেন কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা করতে না পারে সে দিকে বিশেষ নজর রেখেছি। আমাদের রোজই বাজার মনিটরিং প্রসঙ্গে ব্যবসায়ী নেতাদের সাথে প্রয়োজনীয় মিটিং হচ্ছে। এছাড়া ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সব সময় বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। আশাকরা যায় আমরা যে কোন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে পারবো।’

সংবাদটি শেয়ার করুন

Top advertise


এই সংবাদটিতে আপনার মতামত প্রকাশ করুন

avatar
  Subscribe  
Notify of