সেনাবাহিনী পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রক্ষায় কাজ করছে


শ্যামল রুদ্র, রামগড় প্রকাশের সময়: জুলাই 4, 2018

সেনাবাহিনী পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি  রক্ষায় কাজ করছে

পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রক্ষার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুইমারা সেনা রিজিয়নের উদ্যোগে মাটিরাঙ্গা উপজেলার অসহায়-দরিদ্র শতাধিক পরিবারের মাঝে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে গুইমারা রিজিয়নের উদ্যোগে মাটিরাঙ্গা জোন সদরে এক অনুষ্ঠানে অসহায়-দরিদ্র শতাধিক পরিবারের মাঝে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার পাশাপাশি নিজেদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের পরামর্শ দিয়ে ২৪ পদাতিক আর্টিলারী ব্রিগেড ও গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন খান পিএসসি বলেছেন, সেনাবাহিনী সকল সমালোচনা উপেক্ষা করে পাহাড়ের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। পাহাড়ে সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি রক্ষায় সজাগ রয়েছে।

চারা বিতরণের সময় তিনি আরও বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগী পৃথিবী গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপনের বিকল্প নেই। মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্যই আমাদের পরিবেশকে রক্ষা করতে হবে।

এর আগে মাটিরাঙ্গা জোন সদরে গুইমারা রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ রকিব উদ্দিন খান পিএস.সি, মাটিরাঙ্গা জোনের অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন পিএসসি.জিসহ একটি লিচু গাছের চারা রোপন করে ফলদ, বনজ ও ওষুধি গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানের উদ্ধোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের অধিনায়ক লে. কর্ণেল কাজী শামসের উদ্দিন পিএসসি.জি, জোনাল স্টাফ অফিসার মেজর কাজী নেহাত ফয়সাল পিএসসি.জি, গুইমারা সেনা রিজিয়নের জিটুআই মেজর আশিকুর রহমান,অনারারী ক্যাপ্টেন মো. নজরুল ইসলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম তাজু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)বিভীষণ কান্তি দাশ, থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ জাকির হোসেন, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মেয়র শামছুল হক, সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হিরনজয় ত্রিপুরা, স্থানীয় হেডম্যান-কার্বারী, সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Top advertise


এই সংবাদটিতে আপনার মতামত প্রকাশ করুন

avatar
  Subscribe  
newest oldest most voted
Notify of
Pradip Chakma
Guest

mitte