নীড় পাতা / ব্রেকিং / বিভাগ বদলাতেই নতুন ভর্তি ফি আব্দুল আলী স্কুলে !

বিভাগ বদলাতেই নতুন ভর্তি ফি আব্দুল আলী স্কুলে !

রাঙামাটি জেলার সুবর্ণজয়ন্তী ছুঁই ছুঁই গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রিজার্ভ বাজারস্থ শহীদ আব্দুল আলী একাডেমী। শহরের এই সনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে স্থানান্তরে নতুনভাবে ভর্তি ফি চাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বছরের শুরুতে ৯ম শ্রেণীতে যে সব শিক্ষার্থী বিজ্ঞান/ব্যবসায়/মানবিক বিভাগে ভর্তি হয়েছে, তাদের ভর্তি হওয়ার মাস দেড়েকের মধ্যেই, রেজিষ্ট্রেশন না হওয়ার শর্তেও অন্য বিভাগ অর্থ্যাৎ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ব্যবসায় বা মানবিক বিভাগে পরিবর্তিত হতে আবার প্রায় দুই হাজার টাকা নতুন ভর্তি ফি দাবি করছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশ করার শর্তে ভুক্তভোগি একজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেছেন, আমি প্রথমে একটি বিভাগে ভর্তি হলে ও এখন ঐ বিভাগের বিষয়গুলো আমার কাছে অনেক কঠিন লাগছে, তাই আমি অন্য বিভাগে চলে যেতে চাই চাইছি। এক্ষেত্রে আমার নতুনভাবে ভর্তি হতে হবে জানিয়েছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,অথচ আমরা পিতামাতার এই নতুন ভর্তির খরচ বহন করার সামর্থ্য নেই।

এই বিষয়টি একাধিক সূত্র থেকে নিশ্চিত হয়ে বিষয়টি জানতে শহীদ আব্দুল আলী একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম চেীধুরীর সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে স্থানান্তর হতে হলে, প্রথমে ভর্তি হওয়া বিভাগের ভর্তি বার্তিল করতে হবে। আবার নতুন করে ভর্তি হতে ইচ্ছুক বিভাগে নতুন ভর্তি ফি দিয়ে ভর্তি হতে হবে। কারণ ঐ রোলে আমি কাউকে ভর্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত ভর্তি করাতে পারব না। আর নতুন বিভাগে নতুনভাবে ভর্তি ফি জমা দিয়ে নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
তবে এই বিষয়ে ভিন্ন কথা জানিয়েছেন রাঙামাটি জেলা শিক্ষা অফিসার উত্তম খীসা। তিনি জানান, এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে স্থানান্তরে যদি কেউ টাকা নিয়ে থাকে সেটা অযৌক্তিক। কারণ এক বিভাগ থেকে অন্যবিভাগে নাম স্থানান্তরের জন্য, কোন ভাবেই নতুন ভর্তির প্রয়োজন নাই। একটা ছেলে একবার টাকা দিয়ে ভর্তি হওয়ার পর ওর শুধুমাত্র খাতায় নামটা এক খাতা থেকে অন্য খাতায় স্থানান্তর করে দিলেই হয়, অন্য বিভাগে স্থানান্তরের জন্য, কোন বিদ্যালয়েই দ্বিতীয়বার নতুন ভর্তি ফি নেয়ার সুযোগ নাই।

আরো দেখুন

ক্যাম্পাসবার্তার সম্মাননা প্রদান বিধান চন্দ্র বড়ুয়াকে

রাঙামাটি সরকারি কলেজের বিদায়ি উপাধ্যক্ষ প্রফেসর বিধান চন্দ্র বড়ুয়া সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণে বিদায়ী …

One comment

  1. একি ঘটনা আমার সাথেও ঘটেছে। আমার ছোট বোন ও যখন তার বিভাগ পরির্বতন করতে ছেয়েছে তখন প্রধান শিক্ষক আমাকেও একি কারণ দেখালো।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

20 − eleven =