নীড় পাতা / ব্রেকিং / ছয় খুনের ঘটনায় রিমান্ডে তন্টুমনি ও কিরণ

ছয় খুনের ঘটনায় রিমান্ডে তন্টুমনি ও কিরণ

গত ৩ ও ৪ মে রাঙামাটিতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে পৃথক দুইটি ঘটনায় ছয় হত্যাকান্ডের পর আইন শৃঙ্খলাবাহিনী রাঙামাটির সদরসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছে এবং শহর জুড়ে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। ইতোমধ্যে কয়েকজন আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। গ্রেফতার দেখানো হয়েছে সন্তু লারমা নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির স্টাফ সদস্য সুঅতিশ প্রকাশ (তন্টুমনি) চাকমা ও কিরণ চাকমা।

তাদের দুজনকে সোমবার সকালে আদালতে তোলা হলে আদালত সহতিশ প্রকাশ (তন্টুমনি) চাকমা দুই দিনের রিমান্ড ও কিরণ চাকমার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। রাঙামাটি জজ কোর্টের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদের আদালতে তাদের তোলা হলে তিনি এই আদেশ দেন।

জজ কোর্টের ওসি ইসরাফিল আলম মজুমদার জানান, পুলিশ রিমান্ডের আবেদন করলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জাহেদ আহমদ এর আদালত সুঅতিশ প্রকাশ (তন্টুমনি) চাকমা দুই দিনের রিমান্ড ও কিরণ চাকমাকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। তিনি আরো বলেন, তন্টুমনি চাকমা তপন জ্যোতি চাকমা (বর্মা)’র হত্যা মামলার ২৭ নাম্বার আসামি এবং একই মামলার সহযোগি হিসেবে কিরণ চাকমাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাঙামাটির পুলিশ সুপার মো. আলমগীর কবির জানান, সন্দেহভাজন আটকদের মধ্যে যাদের নাম নানিয়ারচর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে এবং পূর্বেও যাদের নামে একাধিক মামলা রয়েছে তাদেরকে থানায় রেখে অন্যদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে বেশি কিছু বলতে পারবেন না বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত ৩ মে বৃহস্পতিবার সন্ত্রাসীদের গুলিতে নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শক্তিমান চাকমাকে হত্যা করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান এর শেষকৃত্যে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর আহ্বায়ক তপন জ্যোতি চাকমা (বর্মা) সহ মোট ৫ জনকে ব্রাশফায়ার নিহত হন। গত ৯ মে নানিয়ারচর থানায় ১১৮ জনের নাম উল্লেখ করে দুটি পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়। এতে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) পক্ষ থেকে দায়ের করা অভিযোগে ৭২ জনের নাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) পক্ষ থেকে ৪৬ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

আরো দেখুন

পাহাড়ে রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে স্কুল শিক্ষার্থীদের ব্যবহার না করার আহ্বান

‘পাহাড়ে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের সংঘাতপূর্ণ অবস্থার কারণে একের পর এক হত্যার ঘটনা ঘটছে। প্রতিদিনই পড়ছে …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

sixteen + 10 =