নীড় পাতা / পাহাড়ের সংবাদ / খাগড়াছড়ি / খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের সমাবেশ

খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের সমাবেশ

‘‘অর্থ, প্রতিরক্ষা, পরাষ্ট্রনীতি ও ভারী শিল্প ব্যতীত সকল ক্ষমতা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের নিকট হস্তান্তর কর” এই দাবিতে খাগড়াছড়ি সদরে সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।

পূর্ণস্বায়ত্তশাসন দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্বনির্ভরে ইউপিডিএফ-এর কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রেশমি মারমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডএফ)-এর কেন্দ্রীয় সদস্য দেবদন্ত ত্রিপুরা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জিকো ত্রিপুরা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা সভাপতি দ্বিতীয়া চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা। গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পদাক পলাশ চাকমা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশ শুরুর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অধিকারের সনদ পূর্ণস্বায়ত্তশাসনেরকোন বিকল্প নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের অধিকারকে পাশ কাটিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার ও জনসংহতি সমতির মধ্যে যখন আপোষনামা হতে যাচ্ছিল তখনই ১৯৯৭ সালের ১০ মার্চ পাহাড়ি গণপরিষদ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন ঢাকায় এক সমাবেশে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের ডাক দিয়েছিল। যা আজ পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তিন সংগঠনের উত্থাপিত দাবিকে তোয়াক্কা না করে ’৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে জনসংহতি সমিতি চুক্তি স্বাক্ষর করে। কিন্তু এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের দাবি-দাওয়া যে পূরণ হয়নি তা আজ দিবালোকের মতো পরিষ্কার। সরকার ২০ বছরেও এই চুক্তি পুরো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। কাজেই পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার প্রকৃত সমাধানের জন্য সরকারকে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবি অবশ্যই মেনে নিতে হবে।

সমাবেশে তিন শতাধিক ছাত্র-যুব-নরী অংশগ্রহণ করেন এবং সমাবেশ থেকে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবির পক্ষে শ্লোগান দেন।(বিজ্ঞপ্তি)

খাগড়াছড়িতে তিন সংগঠনের সমাবেশ
‘‘অর্থ, প্রতিরক্ষা, পরাষ্ট্রনীতি ও ভারী শিল্প ব্যতীত সকল ক্ষমতা পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের নিকট হস্তান্তর কর” এই দাবিতে খাগড়াছড়ি সদরে সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক যুব ফোরাম, হিল উইমেন্স ফেডারেশন ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ খাগড়াছড়ি জেলা শাখা।

পূর্ণস্বায়ত্তশাসন দিবস উপলক্ষে শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় স্বনির্ভরে ইউপিডিএফ-এর কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক রেশমি মারমার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট(ইউপিডএফ)-এর কেন্দ্রীয় সদস্য দেবদন্ত ত্রিপুরা, গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জিকো ত্রিপুরা, হিল উইমেন্স ফেডারেশনের জেলা সভাপতি দ্বিতীয়া চাকমা ও পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা। গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের খাগড়াছড়ি জেলা সাধারণ সম্পদাক পলাশ চাকমা সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন। সমাবেশ শুরুর আগে পার্বত্য চট্টগ্রামের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অধিকারের সনদ পূর্ণস্বায়ত্তশাসনেরকোন বিকল্প নেই। পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের অধিকারকে পাশ কাটিয়ে আওয়ামীলীগ সরকার ও জনসংহতি সমতির মধ্যে যখন আপোষনামা হতে যাচ্ছিল তখনই ১৯৯৭ সালের ১০ মার্চ পাহাড়ি গণপরিষদ, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও হিল উইমেন্স ফেডারেশন ঢাকায় এক সমাবেশে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের ডাক দিয়েছিল। যা আজ পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। তিন সংগঠনের উত্থাপিত দাবিকে তোয়াক্কা না করে ’৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে জনসংহতি সমিতি চুক্তি স্বাক্ষর করে। কিন্তু এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের দাবি-দাওয়া যে পূরণ হয়নি তা আজ দিবালোকের মতো পরিষ্কার। সরকার ২০ বছরেও এই চুক্তি পুরো বাস্তবায়নে এগিয়ে আসেনি। কাজেই পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যার প্রকৃত সমাধানের জন্য সরকারকে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবি অবশ্যই মেনে নিতে হবে।

সমাবেশে তিন শতাধিক ছাত্র-যুব-নরী অংশগ্রহণ করেন এবং সমাবেশ থেকে পূর্ণস্বায়ত্তশাসনের দাবির পক্ষে শ্লোগান দেন।(বিজ্ঞপ্তি)

আরো দেখুন

মাটিরাঙ্গায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী …

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

13 + 18 =