নীড় পাতা / ব্রেকিং / কড়া ও সর্বাত্মক হরতাল রাঙামাটিতে

কড়া ও সর্বাত্মক হরতাল রাঙামাটিতে

কড়া পিকেটিং আর শহরজুড়ে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীদের স্বত:স্ফূর্ত অংশগ্রহণে পার্বত্য জেলা রাঙামাটিতে কড়া হরতাল পালন করেছে রাঙামাটি জেলা যুবলীগ।
জুরাছড়িতে এক নেতাকে হত্যা ও বিলাইছড়িতে আরেকজনকে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদে ডাকা হরতাল আরো কঠোর আকার ধারণ করে হরতালের আগের রাতে খোদ শহরেই জেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সহসভাপতি র্ঝণাখীসাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টার কারণে।
সকাল থেকেই শহরের প্রায় প্রতিটি অলিগলিতে অবস্থান নেয় প্রায় নয়বছর ধরেই টানা দুই মেয়াদে ক্ষমমায় থাকা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। প্রায় প্রতিটি মোড়েই ছিলো পিকেটিং,কোথাও কোথাও সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রতিবাদ জানাতে দেখা যায়,তবে বেশিরভাগ স্থানেই টায়ার সরিয়ে দিতে দেখা গেছে পুলিশকে।
শহরের বিভিন্নস্থানে খন্ড খন্ড মিছিল করেছে যুবলীগ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। গণমাধ্যমে কর্মী ও প্রশাসনের গাড়ী ছাড়া রাস্তায় আর কোন গাড়ী চলাচল করতে দেখা যায়নি।
যুবলীগের প্রায় সকল নেতাকর্মীকেই এদিন মাঠে সক্রিয় দেখা গেছে,ছিলো ছাত্রলীগ,শ্রমিক লীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগসহ সকল সহযোগি সংগঠনের কর্মীরাও। নেতৃত্ব দিয়েছেন সিনিয়র আওয়ামীলীগ নেতারা।

জেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক নুর মোহাম্মদ কাজল জানালেন, এই হরতাল অবৈধ অস্ত্র আর গুন্ডামির বিরুদ্ধে হরতাল, এই হরতাল আমাদের সহযোদ্ধারের রক্তাক্ত করার প্রতিবাদে হরতাল। এখন থেকে প্রতিটি আঘাতের জবাব দেয়া হবে বলেও সতর্ক করে দেন দিয়ে তিনি আরো বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। কিন্তু বারবার এমন হামলা আমরা মেনে নিবোনা।

বেশ কয়েকটি স্থানে বিএনপির নেতাকর্মীদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কিংবা পায়ে হেঁটে হরতাল উপভোগ করতেও দেখা গেছে। জেলা বিএনপির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শাহ আলমকে দেখা মিললো কাঠালতলি মোড়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে আড্ডা দিতে। হাসতে হাসতে বললেন, ক্ষমতাসীন দলের হরতাল উপভোগ করছি।

শুধু রাঙামাটি শহর নয়,প্রতিটি উপজেলা থেকেই শান্তিপূর্ণ ও কড়া হরতালের খবর মিলেছে। কোথাও তেমন কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

আরো দেখুন

চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান বেবী’র ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

অসহায় শিক্ষিত মহিলাদের আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে চন্দ্রঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরী বেবী নিয়েছেন …

8 মন্তব্য

  1. শন্তু লারমা ঘোষণা দিয়েছে পাহাড়ে আগুন জ্বলবে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে এই ঘোষণা দেয়। এর পরেই একের পর এক হত্যাকাণ্ড।
    প্রশ্ন হলো ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ শন্তু লারমার বিরুদ্ধে মামলা করছেনা কেন?

    ক্ষমতায় থেকে হরতাল, বিক্ষোভ করছে কার বিরুদ্ধে?

    নাটের গুরু কারা? জনগনকে(পাহাড়ের বাঙালিদের) ধোকা দিচ্ছে না তো?

    এখন যেভাবে আন্দোলন হচ্ছে নয়ন হত্যার পর জেলা আওয়ামীলীগ নিরব ছিলো কেন নয়ন বাঙালি বলে?

  2. আওয়ামিলীগের রাজনীতিতে জত উপজাতীয় নেতা কর্মি আছে সবাইকে রাস্তায় নেমে পাহাড়ের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আন্দলন করতে হবে। তাহলে পাহাড়ে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানে সফলতা আসবে।

  3. আওয়ামীলীগ পার্বত্য চট্টগ্রামে আর থাকিবে না ভাই যে অবস্থা হইছে রে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

15 + 6 =